অবৈধ স্পিডবোটের কারণে ধোঁয়াশায় সরকার!

বিশেষ প্রতিনিধি :: গতকাল (সোমবার ৩ মে) মাদারীপুর শিবচরে বহু হতাহতের ঘটনায় সামনে এসেছে অবৈধ স্পিডবোটের বিষয়। শুধু এটিই নয়, পূর্বে নানা সময় সরকারের অনুমোদনহীন স্পিডবোটের দুর্ঘটনায় অনেক মানুষ মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এমন প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে, দেশে কত বৈধ ও অবৈধ স্পিডবোট রয়েছে, এ নিয়ে কোনো পরিসংখ্যান কিংবা নীতিমালা আছে? এমন আরো নানা প্রশ্ন জন্ম নিয়েছে জনমনে।

অনুসন্ধান করে জানা গেছে, দেশের আনাচে-কানাচের বড় জলাশয়, হাওর, লেক, নদ-নদী এবং সমুদ্রে হাজার হাজার স্পিডবোট চলাচল করছে। যার মধ্যে মাত্র সাড়ে ৩’শ স্পিডবোট চলাচলের অনুমোদন রয়েছে। বাকি সবগুলোই অবৈধ।

সংশ্লিষ্টদের কাছে এসব অবৈধ স্পিডবোটের কোনো পরিসংখ্যানও নেই। নেই কোনো নীতিমালাও। স্পিডবোটগুলো নিবন্ধনও করা হয় না। এছাড়া এসব স্পিডবোটের অধিকাংশই ফিটনেস বিহীন। চলাচল করা বেশির ভাগ স্পিডবোটই অনেক পুরোনো, ফাটা ও জোড়াতালি দেয়া।

তাছাড়া স্পিডবোটগুলোতে নেই কোনো লাইফ জ্যাকেট। আবার কোনটিতে জ্যাকেট থাকলেও সেটা ব্যবহারে অনুপোযোগী। স্পিডবোটের চালকরাও কোনো ধরণের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নন। সব মিলিয়ে প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা। আর এতে বলি হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, চলাচল বন্ধ বা অভিযান চালিয়ে এতো সব অবৈধ স্পিডবোটের দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। বরং তাদের অনুমোদন দিয়ে নিবন্ধনের আওতায় আনা দরকার। চালকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে লাইসেন্সের আওতায় আনা উচিত। এর পাশাপাশি বিশেষ নজরদারি করতে হবে। তাহলেই স্পিডবোটের দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ আনা সম্ভব।

কি বলছে কর্তৃপক্ষ?

এসব বিষয়ে কথা বলতে বারবার যোগাযোগ করা হলেও ফোন ধরেননি নৌ-চলাচল নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক। তবে যোগাযোগ করা হলে বিআইডব্লিউটিএ’র (পরিকল্পনা ও পরিচালন) সদস্য ও যুগ্মসচিব মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমরা দেশের অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল নিয়ন্ত্রণ করি। বৈধ নৌযানগুলো দেখভাল করছি। অবৈধ নৌযানগুলোর বিষয়ে অভিযান চালাচ্ছি। তবে স্পিডবোটের নীতিমালা নিয়ে আমরা কাজ করি না। স্পিডবোটের বিষয়গুলো নৌ-পরিবহন অধিদপ্তর বলতে পারবে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর আবু জাফর মো. জানাল উদ্দিনও ফোন ধরেননি। একইসাথে বন্ধ পাওয়া যায় নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ বদরুল হাসান লিটনের মুঠোফোনটিও। তবে নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মামীম উদ্দীন আহমদ ফোন ধরলে তিনি বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, ‘আমি কিছুই জানি না। এ বিষয়ে চিফ ইঞ্জিনিয়ার (প্রধান প্রকৌশলী) বলতে পারবেন।’

কথা হলে নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মনজুরুল কবীর বলেন, ‘স্পিডবোট নিয়ে নীতিমালা বা কোনো আইন নেই। তবে নৌযান নিয়ে যে আইন আছে, স্পিডবোটের ক্ষেত্রেও সেটি প্রযোজ্য। সেভাবেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

অনুমোদনহীন যেসব স্পিডবোট রয়েছে সেগুলো নিবন্ধনের আওতায় আনার কোন উদ্যোগ আছে কি না জানতে চাইলে প্রধান প্রকৌশলী বলেন, ‘আমরা তো চাই তাদের রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনতে। কিন্তু প্রবলেম হচ্ছে তারা চায় না। কারণ রেজিস্ট্রেশনে আসতে হলে তাদের ব্যয়ের একটি বিষয় আছে, নৌযানটির ফিটনেসের বিষয় আছে, নকশার বিষয় আছে, এছাড়াও আরো অনেক বিষয় আছে যেগুলোর বিষয়ে তাদের দুর্বলতা আছে। এজন্য তারা নিবন্ধনে আসতে আনাগ্রহী। আবার এখন এসব ছাড়াই যদি তারা (অবৈধভাবে) চলতে পারেন তাহলে রেজিস্ট্রেশনের আওতায় কে আসতে চাই?’

কিন্তু কেউ না আসলেও সংশ্লিষ্টদের উচিত যেভাবেই হোক তাদের নিবন্ধনের আওতায় আনা- এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধান প্রকৌশলী বলেন, ‘অধিদপ্তর চাইলেও সবকিছু হয় না। বিআইডব্লিউটিএ আছে, নৌপুলিশ আছে, কোস্টগার্ড আছে, সর্বপরি স্থানীয় প্রশাসন আছে; তাদের উদ্যোগ নিতে হবে। তারা যদি এ বিষয়ে গুরুত্ব দেন তাহলেই স্পিডবোটগুলো রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আসতে বাধ্য হবে। তারপরও নৌ-পরিবহন অধিদপ্তর অনুমোদনহীন স্পিডবোটগুলো নিয়মের আওতায় আনার পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।’

এ বিষয়ে নৌ-চলাচল নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ’র পরিচালক পদে ছিলেন তবে তিনি এখন অন্য একটি সংস্থায় কাজ করছেন- নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এমন এক কর্মকর্তা বলেন, বিআইডব্লিউটিএ এর পক্ষ থেকে নিবন্ধন আনতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল কিন্তু স্পিডবোটগুলোর মালিকরা তা চান না। কারণ নিবন্ধনে আসলে তাদের লোকসান হবে। বিশেষ করে ইজারাদার, স্থানীয় প্রভাবশালীদের স্বার্থে আঘাত আসবে, এখান থেকে খাজনা পাবে না। এসব কারণে ওই মহলটি স্পিডবোট মালিকদের নিবন্ধন করাতে অনাগ্রহী করাচ্ছেন।

স্পিডবোটের সংখ্যা কত ও কোন কোন নৌ-রুটে চলছে

সরকারি সংশ্লিষ্টদের কাছে স্পিডবোটের কোনো পরিসংখ্যান নেই। কোথায় কোথায় চলছে সে বিষয়েও তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।

এ বিষয়ে নৌ-পরিবহণ অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. শমশের আলী খান বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, ‘অনুমোদনহীন স্পিডবোট নিয়ে আমাদের কাছে কোনো পরিসংখ্যান নেই। তবে বৈধ স্পিডবোটের পরিসংখ্যান আছে। এই মুহূর্তে সেটিও বলতে পারি না। আমাদের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করতে পারেন।’

যোগাযোগ করে সংশ্লিষ্ট এক দপ্তর থেকে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ৩৫০টির মতো স্পিডবোটের অনুমোদন দেয়া আছে। এর মধ্যে কক্সবাজারে প্রায় ১৫০টি স্পিডবোট রয়েছে। এছাড়াও বরগুনা, পটুয়াখালী ও আশপাশ অঞ্চলের ৭টি রুটে চলাচলের জন্য ২০টি স্পিডবোট রয়েছে।

তবে অবৈধ স্পিডবোটগুলোর রুট পারমিট না থাকায় চলাচলের নির্দিষ্ট কোন জলপথ নেই। তবে সারাদেশে যেসব স্পিডবোট চলছে তার খোঁজ রয়েছে। হাওর, লেক, নদ-নদী ছাড়াও সমুদ্রেও চলছে স্পিডবোট। এর মধ্যে যেসব স্থানে বেশি স্পিডবোট চলাচল করে তার একটা আনুমানিক হিসেব করা যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি, মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া, রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া, মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট, মাওয়া ফেরীঘাট, শরীয়তপুর মাঝিরঘাট ও কাঁঠালবাড়ি ঘাটগুলোতে অন্তত দেড় হাজার খানেক স্পিডবোট রয়েছে। এরমধ্যে শুধু শিমুলিয়া এবং কাঁঠালবাড়ি দুই ঘাটে ৫০০ স্পিডবোট রয়েছে।

কক্সবাজারে সরকারের অনুমোদিত বেশ কিছু স্পিডবোট থাকলেও কক্সবাজার, কুতুবদিয়া, মগনামা, টেকনাফ, সেন্টমার্টিন ও শাহপরী দ্বীপে রয়েছে ৫ শতাধিক অবৈধ স্পিডবোট।

রাঙ্গামাটি, বান্দরবন, খাগড়াছড়ির লেকগুলোতে অসংখ্য স্পিডবোট চলছে। শুধু রাঙ্গামাটি কাপ্তাই হ্রদে ২০ থেকে ৫০টি স্পিডবোট চলাচল করে।

চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, চাঁদপুরে দেখা মিলবে বেশ কিছু স্পিডবোটের। ঢাকার আশাপাশ নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদীতেও রয়েছে কয়েক‘শ স্পিডবোট। এরমধ্যে নরসিংদী থেকে নবীনগর বা অন্যান্য নৌরুটে রয়েছে ৭০ থেকে ১০০টি। কিশোরগঞ্জ হাওর এলাকায় পর্যটকদের আনাগোনা বাড়াই সেখানেও রয়েছে বেশকিছু স্পিডবোট। ভৈরবে রয়েছে ৩০ থেকে ৪০টি স্পিডবোট।

বরিশাল থেকে লাহারহাট নৌরুটে এবং বরিশাল থেকে ভেদুরিয়া নৌরুটে ১২০ থেকে ১৫০টি স্পিডবোট রয়েছে। আরিচা থেকে কাজীরহাট নৌরুটে এবং কাজীরহাট থেকে দৌলতদিয়া নৌরুটে রয়েছে ৫০টির মতো স্পিডবোট।

খুলনার মংলা বন্দর ও সুন্দরবন এলাকায় চলাচল করছে প্রচুর স্পিডবোট। কিছু স্পিডবোট সুন্দরবনের বিচ্ছিন্নবাদী সংগঠনের হাতেও রয়েছে। রেজিস্ট্রেশন না থাকায় সুন্দরবনের জলদস্যুদের হাতে এসব স্পিডবোট পৌঁছে বলে জানা যায়। অন্যদিকে, রাজশাহীতেও মিলবে অনেক স্পিডবোট।

সিলেটের বিভিন্ন হাওরে দেখা মিলে স্পিডবোটের। এরমধ্যে শুধু টাঙ্গুয়ার হাওরেই রয়েছে অন্তত ৫০টি স্পিডবোট। সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের টেকেরঘাটে সবসময় ১০ থেকে ১৫টি স্পিডবোট নঙ্গর করে থাকতে দেখা যায়। সব মিলিয়ে দেশে কত স্পিডবোট রয়েছে সেই হিসেব করা যাবে না।

কোথায় কিভাবে তৈরি হয় স্পিডবোট

নারায়ণগঞ্জের পাগলা, ফতুল্লা এবং সাইনবোর্ড এলাকায় বেশকিছু স্পিডবোট তৈরির কারখানা রয়েছে। কারখানায় তৈরি হয় স্পিডবোটের বডি। সরকারের নিয়ম অনুযায়ী জলযান ব্যবহারের আগে সেটার নকশা সরকারের কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হয়। কিন্তু অনুমোদন ছাড়াই এসব কারখানায় তৈরি হচ্ছে স্পিডবোট। স্পিডবোটের ইঞ্জিনের বিষয়েও সরকারের বাধ্যবাধকতা আছে। সেটিও মানা হচ্ছে না। এরফলে কোন ইঞ্জিন কে ব্যবহার করছে, ইঞ্জিনটি পুনরায় বিক্রি হচ্ছে এবং সেটা কোন মালিকের কাছে যাচ্ছে; সেটি খোঁজ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে। এসব ইঞ্জিনের কোনো তালিকা সরকারের কাছেও থাকে না। ফলে এসব স্পিডবোট জলদস্যুদের কাছে চলে গেলেও কোনো ব্যবস্থা নিতে পারে না সরকার।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইঞ্জিন ও বডিসহ ১২ জন যাত্রীর ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন একটি স্পিডবোট তৈরি করতে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা খরচ হয়। ২৪ জন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন স্পিডবোড তৈরি করতে ৮ থেকে ৯ লাখ টাকা। এসব স্পিডবোটে ৪০ অশ্বশক্তি থেকে ১১৫ অশ্বশক্তি সম্পন্ন ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়। যদিও অধিক ক্ষমতা সম্পন্ন ইঞ্জিন ব্যবহারে সরকারের বাধ্যবাধকতা আছে।

অবৈধ হলেও কিভাবে চলছে স্পিডবোট

অবৈধ স্পিডবোটগুলোর বেশিরভাগই স্থানীয় প্রভাবশালী ও রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ন্ত্রণে চলে। এর সাথে ঘাটের ইজারাদাররাও জড়িত। তারা সবাই ইচ্ছামতো চলে। যাত্রীপ্রতি স্পিডবোট ছাড়ার আগেই ভাড়ার একটা অংশ ইজারাদারের লোকজনকে বুঝিয়ে দিতে হয়। যদিও স্পিডবোট মালিকদের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো যোগসাজেস নেই বলে দাবি করেন কর্মকর্তারা। তাদের পাল্টা অভিযোগ, এসব স্পিডবোট বন্ধের পদক্ষেপ নেয়া হলে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ শুরু হয়।

অতিরিক্ত যাত্রী, ইচ্ছেমত ভাড়া

স্পিডবোট দ্রুত চলাচল করে যার ফলে সময় বাঁচাতে এটি ব্যবহারে আগ্রহী হচ্ছেন যাত্রীরা। এ সুযোগে ইচ্ছেমত ভাড়া নিচ্ছেন যাত্রীরা। একই সঙ্গে চালকরাও যাত্রী নিচ্ছেন ইচ্ছেমত। এ নিয়ে যাত্রীদের ক্ষোভের অন্ত নেই। উপায় না পেয়ে ঝুঁকি নিয়েই স্পিডবোট ব্যবহার করছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি, মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া, রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া, মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট, মাওয়া ফেরীঘাট, শরীয়তপুর মাঝিরঘাট ও কাঁঠালবাড়ি ঘাটগুলোতেও স্পিডবোটে নদী পাড়াপারে ১৫০ থেকে ৩০০টাকা পর্যন্ত যাত্রীদের ভাড়া দিতে হচ্ছে। আবার স্পিটবোট ভেদে ১২ থেকে ৩০ জন পর্যন্ত যাত্রী বহন করছে।

স্পিটবোটে যত দুর্ঘটনা

বেপরোয়াভাবে স্পিডবোট চালানোর জন্য প্রতিবছর দুর্ঘটনায় বহু মানুষের প্রাণ যাচ্ছে। প্রতিনিয়তই স্পিডবোটের দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটছে। তবে শুধু বেশি মানুষ মারা গেলেই সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়। এছাড়া সন্ধ্যার পর স্পিডবোটগুলোতে ডাকাতিও হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, ২০১৯ সালে অন্তত ৭টি দুর্ঘটনায় ৩৭ জন নিহত হয়েছেন। ওই সময় আরো অন্তত ৭০টি দুর্ঘটনা ঘটলেও সবাই প্রাণে রক্ষা পান। এর মধ্যে একই বছরের ১৩ আগস্ট দুর্ঘটনায় ঢাকার মিরপুরের নিখোঁজ দ্বীন ইসলামের খোঁজ এখনো মেলেনি।

 

যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে এখানে ক্লিক করুণ।

এগুলো দেখুন

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চাকরি

ধীরে ধীরে খুলছে সরকারি চাকরির নিয়োগজট

স্টাফ রিপোর্টার :: করোনা নিয়ন্ত্রণে আসায় ধীরে খুলছে বিভিন্ন স্তরের সরকারি চাকরির নিয়োগজট। আগে থেকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.