এটা আমার জন্য বিশাল বড় সারপ্রাইজ ছিলো: সাবিলা নূর

বিনোদন ডেস্ক :: চিরচেনা রূপের বাইরে এবার ঈদে একটু ব্যতিক্রমভাবেই দেখা গিয়েছে সময়ের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী সাবিলা নূরকে। চরিত্রের বৈচিত্রতায় হয়েছেন প্রশংসিত ও আলোচিত। দীর্ঘ ৭ বছরের ক্যারিয়ারে এতোটাও আলোচিত হননি তিনি। যার কারণে এবার একটু বেশিই উচ্ছ্বসিত এ নায়িকা। দর্শকদের কাছ থেকে পাওয়া এ ভালোবাসাটা ধরে রাখতে চান তিনি।

আজ এ অভিনেত্রীর জন্মদিন। ঘড়ির কাঁটা ১২টা ছোঁয়ার আগে থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহকর্মী থেকে শুরু করে বন্ধু-বান্ধব ও অনুরাগীদের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন তিনি। প্রতিবার জন্মদিনে ঘটা করে আয়োজন করলেও এবার তা হচ্ছে না বলেই জানিয়েছেন সাবিলা।

সাবিলা নূর বলেন, প্রতিবছরই বেশ বড় আয়োজন করে আমার জন্মদিন পালন করা হয় কিন্তু এবার তা করছি না। কারণে কোভিড-১৯ এর এমন সময়ে সবাইকে নিয়ে এমন কিছু না করাটাই বেটার এখন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এরকম অনেক কিছুই করা যাবে। এই সময়টাতে খুব মিস করি আমার ভাইয়া ও আপুকে। তারা দেশের বাইরে থাকার কারণে এবার দেখা হয়নি। প্রতিবার তারাই বেশি আনন্দ করতো।

তিনি আরও বলেন, রাত ১২টার আগে থেকেই শুভেচ্ছা পাওয়া শুরু করলেও এখন পর্যন্ত কোনো কেক কাটিনি। ৫টা কেক জমা হয়েছে, হয়তো আরও হবে। সন্ধ্যার পর পরিবারের সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে সবগুলো কেক কাটবো। জন্মদিনে যারা যারা মনে করে আমাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাদের সবার প্রতি আমার অফুরন্ত ভালোবাসা।

সাবিলার জন্মদিনে তার মা প্রতিবারই মেয়ের পছন্দের খাবার রান্না করেন। এবারও তাই করেছেন। সাবিলার বিশেষ পছন্দের খাবার মেজবানি থেকে শুরু করে অনেক কিছুই রান্না করেছেন এবার। উপহারও পেয়েছেন প্রিয়জনদের কাছ থেকে। স্বামীর কাছ থেকে পেয়েছেন ভ্যানিটি সেট এবং শাশুড়ির কাছ থেকে পেয়েছেন পোশাক। এতেই সন্তষ্ট মিষ্টি মেয়ে সাবিলা।

তিনি বলেন, অনেকের কাছ থেকেই অনেক কিছুই পেয়েছি আমি। আমি অল্পতেই সন্তষ্ট থাকা মেয়ে। জন্মদিনে পাওয়া উপহারগুলো আমার কাছে অবশ্যই অনেক বেশি মূল্যবান। আর স্পেশালিটি যদি বলি তাহলে বলবো, দর্শকদের কাছ থেকে পাওয়া ভালোবাসাটা।

বিশেষ কোনো স্মৃতি জানাতে গিয়ে এ তারকা বলেন, আমি যখন খুব ছোট তখন আমার মা নিজে কেক বানাতেন আমার জন্য। সেটা খুব মিস করি। এছাড়া আরেকটি বিশেষ মুহূর্ত: যেটা আমি কখনোই ভুলবো না। বিগত ২০১৯ সালের জন্মদিনটা ছিলো আমার জন্য সেরা।

স্কুল জীবন শেষ করার পর দেশের বাইরে চলে যাওয়া এবং ব্যস্ততার কারণে আমার বন্ধুদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছিলো না অনেক বছর। বলতে গেলে আমি তাদেরকে হারিয়েই ফেলেছিলাম। ওই জন্মদিনে আমার স্কুল জীবনের বন্ধুদের খুঁজে বের করে আমার সামনে নিয়ে এসেছিলো নেহাল।

এটা আমার জন্য বিশাল বড় সারপ্রাইজ ছিলো। আমার হারিয়ে যাওয়া ১২ জন বন্ধুদের খুঁজে পেয়েছি আমি। সেদিন এতোটা খুশি হয়েছিলাম যা বলার বাহিরে। সেই থেকে এখন নিয়মিতই বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ হয়। যদিও ব্যস্ততার কারণে খুব একটা হয়ে ওঠে না, তারপরও চেষ্টা করি।

বন্ধুদের কাছে সাবিলা কেমন, এমন প্রশ্নে তার উত্তর, আমার বন্ধুদের কাছে আমি আগে যেমন ছিলাম, এখনও তেমনই। কোনো পরিবর্তন নেই। খুব বেশি দুষ্টুমি করতাম, মজা করতাম, আড্ডা দিতাম; এখনো তাই করি।

আমার একটা বেস্ট ফ্রেন্ড হচ্ছে রাইয়ান, ক্লাস টু থেকে আমরা ভালো বন্ধু। রাইয়ানকে আমি ছোটবেলা থেকেই ‘বাল্লু ’ বলে ডাকি। আমার কাজ নিয়ে সবসময় আমাকে উৎসাহিত করে সে। ব্যবহার বলি বা সবদিক থেকেই আগের মতোই আছি সবাই। কিন্তু আগের মতো করে এখন খুব বেশি একটা সময় দেয়া হয় না।

 

 

যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে এখানে ক্লিক করুন।

এগুলো দেখুন

ধর্মের টানে অভিনয় ছেড়ে এখন সফল ব্যবসায়ী অ্যানী খান

ধর্মের টানে অভিনয় ছেড়ে এখন সফল ব্যবসায়ী অ্যানী খান

ধর্মের টানে অভিনয় ছেড়ে এখন সফল ব্যবসায়ী অ্যানী খান বিনোদন ডেস্ক :: মডেলিং, উপস্থাপনা ও …

Leave a Reply

Your email address will not be published.