কুমড়ার বীজে যেসব রোগ সারবে

জেনে নিন কুমড়ার বীজে যেসব রোগ সারবে । আসুন এ বিষয়ে আজকে আলোচনা করে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক। অনেকেই কুমড়া খেয়ে এর বীজ ফেলে দেন। তবে জানলে অবাক হবেন, ফেলে দেয়া এই বীজ স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও জিংক। যা অস্টিওপোরোসিসের মতো হাড়ের সমস্যা প্রতিরোধ করে।



করোনাকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর দিকে সবাইকেই নজর দিতে বলছেন চিকিৎসকরা। এ কারণেই বেশি বেশি শাকসবজি খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। যার মধ্যে মিষ্টি কুমড়া অন্যতম। পুষ্টিবিদদের মতে, কুমড়ায় উচ্চ মাত্রায় ভিটামিন এ থাকে। ভিটামিন এ চোখের স্বাস্থ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

শুধু কুমড়া নয়, এর বীজও পুষ্টিতে ভরপুর। কুমড়ার বীজ ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের অন্যতম এক উৎস। তাই এটি ফেলে দেয়ার আগে দুবার ভাবুন। শুধু স্বাস্থ্য ভালো রাখতেই নয় বরং রূপচর্চাতেও ব্যবহার করতে পারেন কুমড়ার বীজ।

কুমড়ার বীজে যেসব রোগ সারবে

১. কুমড়ার বীজে থাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও জিংক। যা অস্টিওপোরোসিসের মতো হাড়ের সমস্যা দূর করে।

২. উচ্চ ফাইবারযুক্ত এই বীজ হজমশক্তি বাড়ায়। ফলে যারা পাকস্থলীর নানা সমস্যায় ভোগেন তাদের জন্য কুমড়ার বীজ হতে পারে সেরা এক দাওয়াই। এর ফলে ওজনও থাকে নিয়ন্ত্রণে।

৩. কুমড়ার বীজে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইটোকেমিক্যাল। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এই করোনাকালে খাদ্যতালিকায় নিয়মিত রাখতে পারেন কুমড়ার বীজ।

৪. টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগী এখন প্রায় ঘরেই আছেন। এমন রোগীরা রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে খেতে পারেন কুমড়ার বীজ। এতে থাকা নানা ধরনের পুষ্টি উপাদান। যা শরীরের জন্য অনেক উপকারী।

৫. কুমড়ার বীজে আরো থাকে ট্রিপ্টোফ্যান নামের অ্যামাইনো অ্যাসিড। যা মেলাটোনিন আর সেরোটোনিন নিঃসরণ বাড়ায়। এসব হরমোন অবসাদ কাটিয়ে শরীর ও মন তরতাজা করে তুলতে সাহায্য করে। শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি করতেও এটি দারুণ উপকারী।

৬. কুমড়ার বীজে আছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, সালফার, জিংক, ভিটামিন এ, বি ও কে। যা চুল উজ্জ্বল ও ঘন করে তুলতে সাহায্য করে। এতে থাকা কিউকারবিটিন নামক অ্যামাইনো অ্যাসিড চুল লম্বা করতে সাহায্য করে।



৭. উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় যারা ভুগছেন, খাদ্যতালিকায় তারাও রাখতে পারেন এই বীজ। এতে নিয়ন্ত্রণে থাকবে রক্তচাপ। সঙ্গে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমবে।

৮. কুমড়ার বীজে আরো রয়েছে সেরোটোনিন নামক উপাদান। যা স্নায়ুতন্ত্রের চাপ কমিয়ে অনিদ্রার সমস্যা কাটায়।

৯. যাদের ত্বক অত্যন্ত শুষ্ক ও সংবেদনশীল তারা নিয়মিত খেতে পারেন কুমড়ার বীজ। এতে ত্বকের আর্দ্রতা ও উজ্জ্বলতা দুটোই বাড়বে। চাইলে এই বীজ বেটে রান্নায় ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়াও আস্ত বীজ সামান্য ভেজে সালাদ কিংবা স্যুপেও ব্যবহার করতে পারেন। চাইলে বাদামের সাথেও কয়েকটি বীজ মিশিয়ে খেতে পারেন। আস্ত চিবিয়ে খেলেই বেশি উপকার মিলবে।

যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে এখানে ক্লিক করুন এবং আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন ফেইজবুক পেইজে এখানে ক্লিক করে।

এগুলো দেখুন

ইফতারে তিন পানীয় প্রাণ জুড়াবে

ইফতারে তিন পানীয় প্রাণ জুড়াবে

ইফতারে তিন পানীয় প্রাণ জুড়াবে । জেনে নিন কিভাবে তৈরি করবেন এই তিন পানীয়। ইফতারে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.