জননেতা মিরাজুল’র সাথে মঠবাড়িয়ার শতাধিক নেতাকর্মীদের সাক্ষাৎ

DTV Online / ৭৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০২১
জননেতা মিরাজুল

বরিশাল অফিস :: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় গতকাল (শুক্রবার ২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় মঠবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মীর ফুলেল শুভেচ্ছায় আপ্লুত হলেন ভান্ডারিয়ার উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও তুষখালী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা জননেতা মিরাজুল ইসলাম।

এ সময় মঠবাড়িয়া উপজেলা শাখা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল ইসলামের নেতৃত্বে উপজেলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মঠবাড়িয়া তুষখালী কলেজে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সান্ধ্যকালীন সভায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সাংগঠনিক গঠনমূলক বক্তব্য দিয়ে মিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি যদিও আপনাদের পার্শ্ববর্তী উপজেলা ভান্ডারিয়ার দায়িত্ব পালন করছি, তারপরও মঠবাড়িয়া উপজেলার প্রতিটি মাটিকণার সাথে আমার অস্তিত্ব ও ভালবাসা মিশে আছে।

তাছাড়া আপনাদের নিয়ে আমার বড় ভাই জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন মহারাজ প্রতিনিয়ত স্বপ্ন দেখেন বিধায় আপনারাও যেন আমার পরিবারের কেউ বড় ভাই, ছোট ভাই বা কেউ ছেলের মতো হৃদয়ে স্থান গেড়ে আছেন। আমার নেতৃত্বকালীন দলের মধ্যে নেই কোনো গ্রুপিং।

ভান্ডারিয়ায় সরকারি দলসহ সকল দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সভা, সেমিনার, মিছিল, মিটিং চলমান থাকলেও সেখানে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক বিরোধী দলকে হয়রানি করতে থানায় একটি মামলারও নজির নেই। অথচ মঠবাড়িয়ায় আপনারা সরকারে থাকাকালীন গ্রুপিংয়ের শিকার হয়ে একাধিক হত্যা মামলায় জেলা খাটাসহ শতাধিক মামলার ঘানি টানতে হচ্ছে। আপনারা আজ অর্থনৈতিক ও মানসিকভাবে প্রচণ্ড ক্লান্ত। আর এসবের ফায়দা নিচ্ছেন কতিপয় অসাধু নেতা। তিনি ‍আরো বলেন, উভয় গ্রুপের নেতাদের সাথে এ মামলাগুলো নিষ্পত্তির জন্য আমি একাধিকবার আলোচনা করেছিলাম।

এক পর্যায়ে হয়তো তাদের লাভ-লস হিসাব কষে তারা আমাকে এড়িয়ে গেছেন। মাদক ও সকল ধরনের অশ্লীলতাকে পরিহার করতে হবে। আমার পরিবারের রাজনৈতিক অনুশীলনই হচ্ছে সকল ধরনের বিপদ থেকে নেতাকর্মীকে উদ্ধার করা ও প্রতিনিয়ত ফলধর বৃক্ষের মতো সেই ছোট গাছটির মতো যথার্থরূপে তাকে পরিচর্যা করা। অথচ আপনাদের এলাকায় এর ভিন্নরূপ। যত ধরনের ষড়যন্ত্র আছে নিজের কর্মীর অর্জিত অর্থ কিভাবে আত্মসাৎ করা যায় সে নোংরা পরিকল্পনা করতে করতে তারা আজ জনবিচ্ছিন্ন নেতায় পরিণত হয়েছেন।

শুভেচ্ছা বক্তব্যে নেতাকর্মীরা বলেন, বিশেষকরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র রফিউদ্দিন আহম্মেদ ফেরদৌসের কুটিল নেতৃত্বের প্রতি প্রতিটি নেতাকর্মীর অন্তর থেকে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাকে পরিহারের মাধ্যমে মঠবাড়িয়ায় পুনরায় স্বচ্ছ রাজনীতি ফিরিয়ে আনার দাবি জানান তারা।


আরো পড়ুন: জনবল নিয়োগ দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক


অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- মঠবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক সেলিম মাতুব্বর, সহ-সভাপতি আরিফ-উল-হক, সাবেক যুবলীগের সভাপতি শাকিল আহম্মেদ নওরোজ, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল ইসলাম ও উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান সোহাগ।

এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফজলুল হক মনি, ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রিপন জমাদ্দার, হারুন-অর-রশিদ তালুকদার, মিরুখালী ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. আবু হানিফ খান প্রমুখ।

যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে এখানে ক্লিক করুন।


এই বিভাগের আরো সংবাদ