বরিশালে এসআই'র বিরুদ্ধে ঊর্ধতন কর্মকর্তাদের নামে টাকা উত্তোলন ও টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ। ★ পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ ★

বরিশালে ঘুষগ্রহণের অভিযোগে এসআই সহ ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা

DTV Desk / ২৪৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই, ২০২১
প্রতীকি

বরিশাল অফিস || বরিশালের কোর্টে কর্তব্যরত গোলাম মোস্তফা নামে একজন পুলিশের এসআই ও তার পুত্র মর্তুজা তুষারের নামে এপিবিএন এর উর্ধতন কর্মকর্তাদের নাম ভাঙ্গিয়ে লাখ লাখ টাকা উত্তোলন ও বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বরিশালের পুলিশ সুপারের বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘বিজলি কনস্ট্রাকশন ‘ এর দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত এক ব্যক্তি জালাল তালুকদার। জালাল তালুকদার অভিযোগে উল্লেখ করেন যে, দেশের বিভিন্ন এপিবিএন এর উর্ধতন কর্মকর্তাদের নামে ঠিকাদারি কাজ পাইয়ে দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসআই মোস্তফা ও তার ছেলে মর্তুজা তুষার নগদ হাতে ও ব্যাংকের একাউন্টের মাধ্যমে কয়েক লক্ষ টাকা নিয়েছে।

তাদের পাঠানো কয়েকটি পে-অর্ডারের টাকা ও কাজ পাইয়ে দেবার জন্য আলাদা ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে বাপ-ছেলের এই চক্র। শুধু তাই নয়, উল্লেখিত এপিবিএন এর কয়েকজন কর্মকর্তাদের কাছে ও বরিশালের পুলিশ সুপারের কাছে নালিশ এবং প্রেস কনফারেন্স এর কথা শুনে ইতিমধ্যে এসআই মোস্তফা নিজের একাউন্ট থেকে আত্মসাৎ এর আট লক্ষ টাকা ফেরৎও দিয়েছে অতি সম্প্রতি।

এস আই মোস্তফা ও তার ছেলে দুজনে যোগসাজশে টাকা আত্মসাৎ করেছে। এ বিষয়ে অভিযোগকারী জালাল তালুকদার বলেন ‘ বিজলি কনস্ট্রাকশন এর স্বাধিকারী বজলুর রহমান সাহেবের একাউন্ট থেকে (মেঘনা ব্যাংক বরিশাল শাখা-৫১০১১১১০০০০০২৭৮) থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংক মিরপুর শাখা( মর্তুজা তুষার এর একাউন্ট নম্বর – ১৬৪.১৫৭.৩৬১) এই একাউন্টে এপিবিএন এর উর্ধতন কর্মকর্তাদের নামে এসআই মোস্তফা ও ছেলে মর্তুজা তুষার টাকা গ্রহন করে।

এছাড়া আমি নিজে হাতে হাতে ৩ লাখ টাকা দিয়েছি একজন এডিশনাল কর্মকর্তার নামে। আবার পরে এসএ পরিবহনে ৪০ হাজার দিয়েছি আলাদাভাবে। আমরা অভিযোগ করেছি যে,আমাদের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দেয়া বেশ কয়েকটি পে-অর্ডারের টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছে তারা।


আরো পড়ুন: গুগল সার্চ কনসোল কি? কেন ব্যবহার করবেন?

আরো পড়ুন: এসইও কি? এসইও কিভাবে করতে হয়?

আরো পড়ুন: কি কি শিখলে ওয়েব ডিজাইনার হতে পারবেন?


আমাদের মোট বজলুর সাহেবের কাছ থেকে কাজ পাইয়ে দেয়ার অযুহাতে নেয়া ১০ লাখ, তিনটি পে-অর্ডারের ১২ লাখ ৫৫ হাজার, আমার নিজের কাছ থেকে নেয়া ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা। মোট ২৫ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ করছি। এরমধ্যে অতি সম্প্রতি ৮ লক্ষ টাকা ফেরতের বাদ দিলে ১৭ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ফেরতের দাবি করছি।

এপিবিএন এর কয়েকজন কর্মকর্তাদের কাছে ও বরিশালের পুলিশ সুপারের কাছে নালিশ এবং প্রেস কনফারেন্স এর কথা শুনে ইতিমধ্যে এসআই মোস্তফা নিজের একাউন্ট থেকে আত্মসাৎ এর আট লক্ষ টাকা ফেরৎও দিয়েছে অতি সম্প্রতি। এস আই মোস্তফা ও তার ছেলে দুজনে যোগসাজশে টাকা আত্মসাৎ করেছে, কিন্তু আমরা সব টাকা জরিমানাসহ ফেরৎ চাই।

এছাড়াও সরকারি কাজ পাইয়ে দেবার নামে টাকা উত্তোলন করে তা আত্মসাৎ করেছে গোলাম মোস্তফা।৷সেজন্য তাকে পুলিশ সদস্য হিসেবে এখনও মামলা না দিয়ে পুলিশ সুপার স্যারের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করেছি।পরবর্তীতে টাকা ফেরৎ পেতে ও সুবিচার পেতে প্রয়োজনে মামলা করবো।’

উৎকোচ গ্রহনের বিষয় কোন সদুত্তর দিতে পারেননি এসআই মোস্তফা । এসআই মোস্তফা বলেন, তিনি কারো কাছ থেকে উৎকোচ গ্রহন করেননি। তবে বিজলি কনস্ট্রাকশন এর মালিক এর সাথে তার ছেলের ব্যবসায়ী সম্পর্ক আছে।  ছেলের কাছে টাকা পাওয়ানা ছিল তাদের। তাই ৮ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছি।

আরো পড়ুন: উজিরপুরে আসামীকে স্বপদে রেখেই চলছে মামলার তদন্ত

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্কাইব করুন


এই বিভাগের আরো সংবাদ