বাঘিয়ায় মুক্তিযোদ্ধার আর্তনাদ!পুলিশকে নিয়ে জমি দখল?ভিডিওসহ

DTV Desk / ৪৭৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ১১ জুলাই, ২০২১
জমি দখল

বরিশালে  বেড়েই চলছে ভূমি দস্যূদের আস্তানা এরই ধারাবাহিকতায় নগরীর এলাকায় একজন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জমি দখল করার পায়তারা চালাচ্ছেন ভূমি দস্যূরা।  বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন বাঘিয়ায় মুক্তিযোদ্ধার আর্তনাদ!পুলিশকে নিয়ে জমি দখল?ভিডিওসহ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জমি দখল অত:পর প্লানবিহীন ভাউন্ডারী নির্মণ। স্থানীয় থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ দিয়ে উল্টা মামলার হুমকির স্বীকার হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক। বরিশাল নগরীর ২৯ নং ওয়ার্ড বাঘিয়া এলাকায় স্থানীয় জামায়াত পরিবারের সদস্য এবং আওয়ামীলীগের কতিপয় ভূমিদস্যূরা মালেকের জমি দখল করার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

 

ভুক্তভোগী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক প্রশাসনের কাছ থেকে ন্যায় বিচার না পেয়ে জমি উদ্বারের জন্য বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন,লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, ২৯ নং ওয়ার্ড বাঘিয়া বাসিন্দা মৃত আঃ খালেক হাওলাদারের ছেলে নয়ন হাওলাদার, মামুন হাওলাদার, মেয়ে মনি বেগম, আঃ খালেক হাওলাদারের স্ত্রী কুলসুম বিবি ও মৃত ওহাবের ছেলে মোঃ হুমায়ন মল্লিক ওরফে কবির, মো: আলীর ছেলে মো: জসিম উদ্দিন,

 

আঃ রশিদ খানের ছেলে মোঃ সবুজ খান, মজিবুর রহমানের ছেলে আসিফুর রহমান শাওন, মৃত হারুন সরদারের ছেলে রিপন সরদার, মোঃ কাওছার এবং মোঃ হাসান সহ মোট ১১ জন এরা সবাই অন্যের সম্পদ লোভী এবং ভূমিদস্যু। অভিযোগকারী মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক জানান, বড় ভাই আঃ মান্নান এর সম্পত্তির ১৫৯, ১৬০ দাগ থেকে ০৯ (নয়) শতাংশ এবং ছোট ভাই লতিফ এর মৃত্যুর পরে তার ওয়ারিশগণদের কাছ থেকে মালেক তার স্ত্রী রওশন আরা বেগম এর নামে মোট ১৬ শতাংশ জমি ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে র্দীঘদিন যাবত ভোগ দখল করে আসছেন।

 

অবৈধভাবে একটি বিএস রেকর্ড তৈরী করে স্থানীয় ভূমিদস্যূরা উক্ত সম্পত্তি দখল করার চেষ্টা চালিয়েছে আসছেন। রেকর্ডের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে বরিশালের বিজ্ঞ ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনাল আদালতে মামলা করেন, যা বিচারাধীন। এদিকে স্থানীয় ভূমি দস্যুখ্যাত মৃত ওহাবের ছেলে মোঃ হুমায়ন মল্লিক ওরফে কবির, মো: আলীর ছেলে মো: জসিম উদ্দিন, আঃ রশিদ খানের ছেলে মোঃ সবুজ খান, মজিবুর রহমানের ছেলে আসিফুর রহমান শাওন,

 

মৃত হারুন সরদারের ছেলে রিপন সরদার, মোঃ কাওছার এবং মোঃ হাসান, রেকর্ড মূলে জমি দাবীদারকারী বাঘিয়ার বাসিন্দা মৃত আঃ খালেক হাওলাদারের ছেলে নয়ন হাওলাদার, মামুন হাওলাদার, মেয়ে মনি বেগম, আঃ খালেক হাওলাদারের স্ত্রী কুলসুম বিবিদের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে কন্টাক নিয়ে ক্ষমতা ও গায়ের জোড়ে জমি ভোগদখল করার চেষ্টা চালাচ্ছেন, বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন। এছাড়া জমি দখলে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হলে নানা ভাবে হুমকি-ধামকি দেওয়া হয়।

 

মুক্তিযোদ্বা আবদুল মালেক সময়ের বার্তাকে জানান, এবিষয় আইনী প্রতিকার চেয়ে বরিশাল এয়ারপোর্ট থানা অফিসার ইনর্চাজ কমলেস এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনিও উল্টা মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাসিঁয়ে দেওয়ার ভয় দেখায়। এয়ারপোর্ট থানা অফিসার ইনর্চাজ কমলেস সময়ের বার্তাকে বলেন, উক্ত মুক্তিযোদ্ধাকে মামলা দিয়ে ভয়ভিতি দেখানো হয়নি। যেহেতু উক্ত সম্পত্তি নিয়ে আদালতে মামলা বিচারধীন। এবিষয় কারো পক্ষে কথা বলা সম্বাব না।

আরো পড়ুন: টিউমার ও ক্যন্সারের পার্থক্য কি?

তাছাড়া কেউ ঘর নির্মান করলে, সেখানে বাধা দেওয়াও সম্বাব না। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর উচ্ছেদ শাখার দায়িত্বরত রেজওয়ান চেীধুরী অনিক সময়ের বার্তাকে জানান, নগরীতে প্লানবিহীন বাউন্ডারী বা ঘর নির্মান করা বৈআইনী। কেউ অবৈধভাবে ঘর নির্মান করলে সেটা ঘুড়িয়ে দেয়ার পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে এখানে ক্লিক করুন।


এই বিভাগের আরো সংবাদ