মঠবাড়িয়া উপজেলা শিক্ষকবৃন্দের পাল্টা সংবাদ সম্মেলন

DTV Online / ৬৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১
মঠবাড়িয়া উপজেলা শিক্ষকবৃন্দের পাল্টা সংবাদ সম্মেলন

মঠবাড়িয়া উপজেলা শিক্ষকবৃন্দের পাল্টা সংবাদ সম্মেলন বরিশাল অফিস :: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া সরকারি কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা,বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য উপস্থাপন করে অপপ্রচারের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলার সর্বস্তরের শিক্ষকবৃন্দ।

আজ মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) সকাল ১১ ঘটিকায় সরকারি কলেজ শিক্ষক মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এ সময় সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফার পক্ষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মহিউদ্দিন আহম্মেদ মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আজিম উল হক।

আপনার নিশ্চয়ই অবগত আছেন ২৫ জুলাই ইং তারিখে মঠবাড়িয়া রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সাংবাদিক পরিচয়ধারী জিয়া খান নামক এক ব্যক্তি সংবাদ সম্মেলন করেন। উক্ত সম্মেলনে জিয়া খান দক্ষিণ বাংলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ মঠবাড়িয়া সরকারি কলেজের সুযোগ্য অধ্যক্ষ প্রফেসর গোলাম মোস্তফা যিনি দীর্ঘদিন সুনামের সাথে কলেজ পরিচালনা এবং সততা ও নিষ্ঠার সাথে মঠবাড়িয়ায় বসবাস করে আসছেন।

তাকে জড়িয়ে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন মন্তব্য করেন সাংবাদিক নামধারী জিয়া খান। যার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল একজন সম্মানিত ব্যক্তিকে হেয় প্রতিপন্ন ও অহেতুক হয়রানী করা। উক্ত ঘটনা আমাদের শিক্ষক সমাজকে মারাত্মক ব্যাথিত করেছে।

ফলে আমরা আজ মঠবাড়িয়ার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানগন সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ আপনাদের সামনে হাজির হতে বাধ্য হয়েছি। প্রকৃত সত্য হল জে,এল নং বকশির ঘটিচোরা মৌজায় ৯১৩ নং খতিয়ানের ৯৮০ নং দাগভূক্ত ৯৬ শতাংশ জমি প্রফেসর গোলাম মোস্তফার পূর্বপুরুষদের। ২/০৬/১৯৬৯ইং তারিখে প্রফেসর গোলাম মোস্তাফা এর চাচাতো দাদা তার অংশের প্রাপ্য ৯.২৫ শতাংশ সম্পত্তি সাব কবলা দলিল মূলে প্রফেসর গোলাম মোস্তফা এর মামা আনোয়ার হোসেনের নিকট বিক্রয় করেন। আনোয়ার হোসেন ১৯৬৭ সাল থেকে ওই জমি ভোগ দখল করে আসছেন।

১৪/০৮/২০১৩ইং তারিখ প্রফেসর গোলাম মোস্তফা এর মামা আনোয়ার হোসেন হেবা দলিলের মাধ্যমে গোলাম মোস্তফা এর মা পারুল বেগমকে উক্ত জমি রেজিষ্ট্রি দেন। যার দলিল নং ৪৭৬৭/১৩। ০৮/১১/২০১৬ইং তারিখ প্রফেসর গোলাম মোস্তফার মাতা হেবা দলিলের মাধ্যমে তাকে রেজিষ্ট্রি দেন। যার দলিল নং ৫৯৬২/১৬। সেই থেকে প্রফেসর গোলাম মোস্তফা উক্ত সম্পত্তি ভোগ দখল করে আসছেন।

প্রসংগত, গত ২৭/০২/২১ইং তারিখ গোলাম মোস্তফা তার ৯১৩ নং খতিয়ানের ১৯৮০ নং দাগের ভোগ দখলীয় জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মান করতে গেলে জিয়া গংরা সীমানা নিয়ে আপত্তি জানান। অত:পর জিয়া খান গত ১৬/০৩/২১ ইং তারিখ গোলাম মোস্তফা সহ অন্যান্যদের ২য় পক্ষ করে সীমানা নির্ধারণে আবেদন করেন।

পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ২৭/০৩/২১ইং তারিখ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গের উপস্থিতিতে সীমানা নির্ধারণী প্রতিবেদনের একটি কপি প্রদান করে যাতে উপস্থিত শালিস বৃন্দের যৌথ স্বাক্ষর রয়েছে। এখানে জমি দখলের কি আছে তা আমাদের জানা নেই। জিয়া খান পৌরসভা কর্তৃক নির্ধারণী সীমানা নিয়ে অসন্তষ্ট হলে অন্য ব্যবস্থা নিতে পারতেন।


আরো পড়ুন: হাদিসে পেঁয়াজ প্রসঙ্গ


কিন্তু সংবাদ সম্মেলন করে মিথ্যা ও বানোয়াট মন্তব্য করে একজন অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সামাজিক ভাবে হেয় করে হয়রানি করা এবং সমাজে অশান্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি করার পাঁয়তারা শুরু করেছেন সাংবাদিক নামধারী এই জিয়া খান। আমরা এর সাথে জড়িত এবং প্ররোচনা দানকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।

যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে এখানে ক্লিক করুন।


এই বিভাগের আরো সংবাদ