স্থায়ীভাবে বন্ধ হচ্ছে অনার্স-মাস্টার্স!

স্থায়ীভাবে বন্ধ হচ্ছে অনার্স-মাস্টার্স!

বেসরকারি কলেজে অনার্স-মাস্টার্স বন্ধ হচ্ছে ফাইল ছবি বেসরকারি কলেজ পর্যায়ে অনার্স-মাস্টার্স বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

বৃত্তিমূলক শিক্ষা বাড়ানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। বুধবার দুপুরে করোনার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি ও শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বেসরকারি কলেজ পর্যায়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, পর্যায়ক্রমে এই অনার্স-মাস্টার্স বন্ধ করে দিয়ে সেখানে ডিগ্রি স্তরে শিক্ষার্থীরা পড়াশুনা করবেন। ডিগ্রি পরীক্ষা দেবেন। নানা ধরনের শর্ট কোর্স, ডিপ্লোমা কোর্সগুলো করানো হবে সেখানে। যেগুলো অনেক বেশি কর্মমুখী, আত্মকর্মসংস্থানে ও উদ্যোক্তা তৈরিতে উপযুক্ত হবে।

যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে এখানে ক্লিক করুন।

জনসংখ্যাকে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তরিত করতেই সরকার এ পরিকল্পনা নিচ্ছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সব কলেজে অনার্স-মাস্টার্সের তেমন কোনো প্রয়োজন হয়ত নেই। অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষিত বেকার তৈরি হচ্ছে। আমরা সেটা চাই না। আমরা জনসংখ্যাকে দক্ষ জনসম্পদে রূপ দিতে চাই। তিনি বলেন, বেসরকারি কলেজ পর্যায়ে অনার্স-মাস্টার্স বন্ধ করার বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আমরা কাজ শুরু করেছি। ইতোমধ্যে কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। তারা পুরো বিষয়টি দেখছেন।

আর বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও কথা বলা হবে। নানা ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবে এখনই কলেজগুলোতে অনার্স-মাস্টার্স বন্ধ করা হচ্ছে না জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই কাজটি একদিনে হঠাৎ করে বন্ধ করে দিয়ে করা যাবে না।

যারা এখন অনার্স-মাস্টার্সে ভর্তি হচ্ছেন, তাদের শিক্ষাজীবন শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে। যখন থেকে আমরা মনে করব- পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে পারব, তখন থেকেই আমরা বন্ধ করে দেব।

আবার সব কলেজেই অনার্স-মাস্টার্স বন্ধ হবে না বলেও জানান দীপু মনি। বলেন, শতবর্ষী ১৩টি কলেজে আছে, বেশ কিছু ভালো কলেজ আছে, যেখানে সব ধরনের উপযুক্ত ব্যবস্থা আছে, সেগুলোতে অনার্স-মাস্টার্স চালানো হবে।

সংবাদ সম্মেলনে যুক্ত ছিলেন- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব গোলাম মো. হাসিবুল আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদসহ সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে

এগুলো দেখুন

আসন ২৬ লাখ, পাশ করেছে ২১ লাখ! শূন্য থাকবে কত!

আসন ২৬ লাখ, পাশ করেছে ২১ লাখ! শূন্য থাকবে কত!

আসন ২৬ লাখ, পাশ করেছে ২১ লাখ! শূন্য থাকবে কত! এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় রেকর্ড পাশ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.