আসুন জেনে নেওয়া যাক সন্তানকে ত্যাজ্য করা কি আইনসঙ্গত । সংসার জীবনে অনেক ধরনের টানাপোড়েন থাকে। তবে তা কখনো কখনো সন্তানের সাথেও হয়ে থাকে। সন্তান অবাধ্য হলে বাবা-মায়ের মধ্যেও বিরোধ দেখা দেয়। আর সন্তান বাবা-মায়ের সাথে ঝগড়া-বিবাদে জড়ালে অভিভাবক তাদের ত্যাজ্য করার হুমকি দেন।
সন্তানকে ত্যাজ্য করা কি আইনসঙ্গত
সন্তানকে ত্যাজ্য করার ঘোষণা সাধারণত মৌখিকভাবে দেওয়া হয়। আবার অনেক অভিভাবক স্ট্যাম্পে লিখে বা নোটারি পাবলিক করেও সন্তানকে ত্যাজ্য ঘোষণা করেন।
- আরো পুড়ন: সামাজিকমাধ্যমে ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার শাস্তি কি
- আরো পড়ুন: মিথ্যা মামলা হলে যা করণীয়
- আরো পড়ুন: ইভটিজিংয়ের শিকার হলে যা করবেন
এরপর যা ঘটে তা হলো– নিকটাত্মীয় ও স্থানীয় স্বার্থান্বেষীরা ত্যাজ্য সন্তানকে তার ভাগের সম্পদ থেকে বঞ্চিত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে থাকে। আইন অনুযায়ী, এটি সম্পূর্ণ বেআইনি, নীতিবহির্ভূত ও গর্হিত কাজ।
তবে অনেকের প্রশ্ন হলো– সন্তানকে কি ত্যাজ্য করা যায় এবং এটি আইনসঙ্গত কিনা।
মুসলিম পারিবারিক আইন ও হিন্দু আইন অনুযায়ী, বাবা-মায়ের সাথে সন্তানের সম্পর্কটা কোনও চুক্তি নয়। এই সম্পর্ক বিবাহ, তালাক বা দাসমুক্তির মতো না। এটি চাইলেই যেকোনো সময় ভেঙে ফেলা যায় না। মনে রাখতে হবে– রক্তের সম্পর্ক কখনো মুখের কথায় পরিবর্তন করা সম্ভব নয়; এটি স্থায়ী বিষয়।
- আরো পড়ুন: স্বামী অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে কি করণীয়
- আরো পড়ুন: তালাকের পর গর্ভের সন্তানের দায়িত্ব কে নেবে
- আরো পড়ুন: সন্তান কি বাবা-মায়ের ভরণপোষণ দিতে বাধ্য
তবে বাবা-মা চাইলে তার সম্পদ থেকে সন্তানকে বঞ্চিত করতে পারে। তবে সন্তানদের ত্যাজ্য করে নয়। কেউ সন্তানকে ত্যাজ্য করলে তা ধর্মীয় বা রাষ্ট্রীয় কোনও নিয়মেই গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ এ ধরনের নীতিমালা ইসলাম ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর কোথাও লিপিবদ্ধ নেই।
যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে এখানে ক্লিক করুন এবং আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন ফেইজবুক পেইজে এখানে ক্লিক করে।
Durba TV academic Website