কিভাবে ব্যাক এন্ড ডেভেলপার হবো

কিভাবে ব্যাক এন্ড ডেভেলপার হবো । বর্তমান সময়ে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট একটি বিরাট জাইগাই পৌঁছে গেছে সরকারী বা বেসরকারী সব রকম কাজের দিক থেকে ওয়েবসাইটের খুব ব্যবহার হচ্ছে। তাই সবাই আরো শক্তিশালী, সুরক্ষিত ওয়েবসাইট বানানোর জন্য চেষ্টা করছে। এখানে ব্যাকএন্ড ডেভেলপমেন্ট একটি বড়ো ভুমিকা পালন করে, যার মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটের প্রধান কাজ গুলি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তাই আমরা এখানে দেখবো যে কিভাবে ব্যাকএন্ড ডেভেলপার হওয়া যায় এবং ব্যাকএন্ড ডেভেলপার হতে গেলে কি করতে হবে ও শিখতে হবে।

কিভাবে ব্যাক এন্ড ডেভেলপার হবো

ব্যাকএন্ড ডেভেলপমেন্ট কি?

এখানে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের মূলত ২ টি পার্ট, একটি হোল ফ্রন্ট-এন্ড ও আরেকটি হোল ব্যাক-এন্ড। একটি ইউজার যখন কোনো ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে তখন সে কি দেখছে এবং তার কি অভিজ্ঞতা এর পিছনে ফ্রন্ত-এন্ড ডেভেলপমেন্ট দায়ী। অনেক ইন্টারনেট বাবহারকারীরা তাদের নিজের মত মন্তব্য প্রকাশ করে, যে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের পিছনে বা ব্যাকে ঠিক কি কি হয় এবং কিভাবে সব কিছু কাজ করে, কিন্তু এর মানে এই নয় যেকোনো ব্যাক-এন্ড ডেভেলপারের ভূমিকা খুবই সহজ একটা কাজ।



কোন ওয়েবসাইটে ইউজাররা যে অভিজ্ঞতাগুলো অর্জন করে সেগুলো ব্যাক-এন্ড ডেভেলপমেন্টের উপর নির্ভরশীল।ব্যাক-এন্ড ডেভেলপারের ভুমিকা হোল একটি কার্যকর ওয়েবসাইটের আর্কিটেকচার, স্ক্রিপ্টিং এবং যাতে ওয়েবসাইটের ডাটাবেস ও ব্রাউজার (যা ইউজাররা ব্যবহার করে) একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে তার উপযোগী কোড লেখা।

যারা ব্যাক-এন্ড ডেভেলপমেন্টকে নিজের ক্যারিয়ার হিসাবে বেছে নিতে চান, তাদের যে যে মূল দায়িত্ব গুলি হল:

  • একটি কার্যকরী ওয়েবসাইট বানানোর জন্য কখনো কোন সমস্যার সম্মুখীন হলে তার সমাধান বার করা।
  • API ম্যানেজমেন্ট ও ডেভেলপমেন্ট।
  • ওয়েবসাইটের জন্য এমন সিস্টেম বানানো যা ডাটা বা তথ্য গুলি সুরক্ষিতভাবে জমা কোরতে পারে আবার নিতেও পারে, যেমন – টাকা-পইসা লেনদেনের সিস্টেম(Online Payment System)।
  • কোড লেখা, কোড ঠিক কাজ করছে কিনা টেস্ট করা এবং কোড সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান করা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা।
  • একটি সঠিক পদ্ধতির সাহায্যে ওয়েবসাইটের আর্কিটেকচার বানানো। পদ্ধতি যেমন – Agile, Scrum এবং অন্যান্য Framework.
  • কোনো অ্যাপ্লিকেশান সিস্টেমের লজিক গুলির সংগঠন করা।
  • কোনো অ্যাপ্লিকেশান সিস্টেমের সমস্যা গুলির সমাধান প্রস্তুত করা।

ব্যাকএন্ড ডেভেলপার কারা এবং তাদের কাজ কি?

একটি ওয়েবসাইটকে ব্যাক-এন্ড চালাই, ইউজার কখনই এটা দেখতে পায় না ও ইন্টারঅ্যাক্ট কোরতে পারে না, কিন্তু এটা ওয়েবসাইটের ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতেই থাকে, ব্যাক-এন্ড ভালো কার্যকরীতা ও ডেক্সটপের মতো এক্সপ্রিয়েঞ্চে প্রদান করে। ব্যাক-এন্ড ডেভেলপাররা ওয়েব ডেভেলপমেন্টের দলে একটা বিরাট ভুমিকা পালন করে এবং ডাটা আদান প্রদান বা ফ্রন্ট -এন্ডের দ্বারা সারভারের কাছে কোন কিছুর অনুরোধ করার কাজকর্ম সামলাই।
ব্যাক-এন্ড হল ডাটাবেস ও এমন সফটওয়্যার যা সার্ভার-সাইড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সংমিশ্রণ, যেটা ওয়েব সার্ভার ও ক্লাউড-সার্ভারগুলোতে চলে।

ব্যাক -এন্ড সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশান তৈরি কোরতে ডেভেলপাররা PHP, Python, Ruby, Java, Node js ও .Net ব্যবহার করে, এবং ডাটা অ্যাড, ডিলিট ও আপডেট বা কিছু পরিবর্তন কোরতে কিছু টুলস ব্যবহার করে যেমন MySQL,Oracle, MongoDB, SQL Server ইত্যাদি।

ধরুন কোনো কোম্পানির মালিক তার ব্যবসার জন্য ওয়েব অ্যাপ্লিকেশান বানাতে চাই, তার কি কি ফিচার্স লাগবে ও প্রযুক্তিগত প্রয়োজনীয়তা গুলো ঠিক হওয়ার পর ডেভেলপাররা তাদের প্রয়োজন মতো টুলস যেগুলো উপরে আলোচনা করা হয়েছে ওইগুলোর সাহায্যে সুন্দর করে কোড লিখে ওয়েব অ্যাপ্লিকেশান তৈরি করে।

খুব দক্ষ ও কার্যকরী ইঞ্জিনিয়ারিং প্রযুক্তি প্রস্তুত কোরে ইউজারদের জন্য ফ্রন্ট-এন্ডে উপর ডেভেলপাররা নিয়ে আসে যেমন – ফর্ম ফিলআপ, শপিং, ইউজার প্রোফাইল তৈরি করা ইত্যাদি।

ব্যাক এন্ড ডেভেলপের হতে গেলে কি কি দক্ষতা থাকা উচিত?

ব্যাক- এন্ড ডেভেলপাররা হলো এমন ব্যক্তি যারা ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপারদের সাহায্যে ইউজারদের জন্যে ভালো ও সুবিধা জনক ইন্টারফেস ও এক্সপ্রিএঞ্চ তৈরি কোরে থাকে। ব্যাক -এন্ড ডেভেলপারকে কেউ এমন ভাবতে পারে যে, সে বিভিন্ন রকম উপাদান তৈরি করে এবং তাতে সহায়তা করে এবং সেই উপাদান গুলো একসঙ্গে জুড়ে একাটা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশান তৈরি হয়।

ব্যাক এন্ড ডেভেলপার দের একটা গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা থাকা উচিত সেটা হল ব্যাক এন্ড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। যে ল্যাঙ্গুয়েজ গুলিতে দক্ষতা থাকা দরকার সেগুলো হল – PHP, Java, Python, Ruby, C#,এবং Node JS. এই সমস্ত দক্ষতা থাকা অপরিহার্য কিন্তু এগুলো শুধু ব্যাক-এন্ডের জন্য ব্যবহার করলে হবে, এর সঙ্গে কিছু ফ্রন্ট এন্ডের সমস্যাও সমাধান করতে হবে। কারণ ব্যাকএন্ড ডেভেলপের ও ফ্রন্টএন্ড ডেভেলপার প্রায় একসঙ্গে কাজ করে। তাই কিছু ফ্রন্টএন্ড ওয়েব টেকনোলজিও যানা প্রয়োজন, যেমন – HTML ও CSS. অতিরিক্তভাবে, কিছু টেকনোলজি যেমন – MongoDB ও Express আপনার ওয়েব অ্যাপ্লিকেশানের ক্ষমতা অনেকটা বাড়িয়ে দেয়।

অবশ্য ব্যাক এন্ড ডেভেলপারদের কিছু নন-টেকনিক্যাল দক্ষতারও প্রয়োজন হয়। যারা ব্যাক এন্ড ডেভেলপমেন্টকে নিজের পেশা হিসাবে চায় তাদের এই দক্ষতা গুলি থাকা দরকার যেমন – বিশ্লেষণমূলক প্রক্রিয়া, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা, নতুন টেকনোলজির উপর আগ্রহ এবং যখন কোনো টিমের সঙ্গে কাজ করতে হবে তখন তাদের সঙ্গে ঠিকভাবে কথোপকথন ও স্বাধীন ভাবে কাজ করার দক্ষতা থাকা দরকার।

কিভাবে ব্যাক এন্ড ডেভেলপমেন্ট শিখতে হবে?

ব্যাক এন্ড ডেভেলপমেন্ট শেখার সময় আপনারা বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সঙ্গে পরিচিত হবেন। যেগুলো আপনার ক্যারিয়ারের পক্ষে খুবই লাভজনক হতে পারে। যদি আপনি যানেন যে কিভাবে লজিক কাজ করে ও কিছু প্রোগ্রামিং অভিজ্ঞতা থাকে, তবে এটা আপনার পক্ষে যথেষ্ট উপকারী প্রমাণিত হবে। যদি এই গুলো আপনি না জানেন, তাহলে আপনাকে বেসিক কম্পিউটার ল্যাঙ্গুযেজের উপর কোর্স করতে হবে। যাতে আপনার সাধারণ প্রোগ্রামিং ও লজিক কি ভাবে কাজ করে তার উপর কিছু ধারণা হয়। ব্যাক এন্ড ডেভেলপমেন্ট বা অন্য কিছু শেখার পথে আপনাকে প্রত্যেকটা পর্যায়ে মনোযোগ দিয়ে সেটাকে অনুশীলন করতে হবে। নিচে কিছু স্টেপ দেয়া হল যেগুলো আপনাকে অনুসরণ করতে হবে।

স্টেপ গুলো হল:

সাধারণ ডাটা স্ট্রাকচার ও অ্যালগরিদমে আপনাকে দক্ষ হতে হবে। অধিকাংশ ওয়েব ডেভেলপাররা এই বিষয়টি এড়িয়ে যায় এবং বিভিন্ন ফ্রেমওয়ার্ক শিখতে শুরু করে দেয়। কিন্তু, ডাটা স্ট্রাকচার ও অ্যালগরিদমের উপর সাধারণ জ্ঞান থাকা দরকার। যদিও এটার সম্বন্ধে সবকিছু জানার প্রয়োজন নেই, কিন্তু এটার প্রক্রিয়া সম্বন্ধে সাধারণ ধারণা থাকা দরকার। আপনাকে কিছু সাধারণ ডাটা স্ট্রাকচার ও অ্যালগরিদম যেমন – Stack, Queue, Linked List, Tree, Graph, Hashing, Sorting ও Searching এই সব অ্যালগরিদম ও প্রোগ্রামিং-এর মূল ধারণা গুলি জেনে রাখলে ভালো হয়।

একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শেখার পর একটি ফ্রেমওয়ার্ক শিখুন।

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে গেলে আপনাকে চেষ্টা, সময় ও ধৈর্য – এগুলোর প্রয়োজন হবে। এমন মনে করবেন না যে রাতারাতি সব প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ গুলি শিখে যাব। তাই ভালকরে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন যেকোনো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজটি শিখবেন। বর্তমান সময়ে কছু প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ খুব পরিমাণে ব্যবহার হচ্ছে যেমন – Python, Java, Javascript, PHP, Ruby ইত্যাদি।

আপনি একসঙ্গে একটার বেশি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শিখতে পারেন। আপনাকে সাধারণ প্রোগ্রামিং- এর উপর জ্ঞান থাকা উচিত। যদি প্রোগ্রামিং -এর উপর কোনো ধারনাই না থাকে তবে আপনি এই সমস্ত প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শিখতে সুর করতে পারেন যেমন – C, Python অথবা Java. এবং প্রোগ্রামিং -এর উপর ভাল জ্ঞান ও অ্যাপ্লিকেশান লজিক কি ভাবে কাজ করে টা জানতে পারবেন।

ডাটাবেসের বেসিক গুলি শিখুন

আপনার কোনো প্রোজেক্টে ডাটাবেস সিস্টেম রাখাটা হবে আপনার যুক্তিসম্মত পদক্ষেপ। বর্তমান সময়ে অনেক রিলেসনাল ও নন-রিলেসনাল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম রয়েছে যে গুলি আপনি শিখতে পারেন, যেমন – কিছু জনপ্রিয় রিলেসনাল ডাটাবেস গুলো হলো – MS SQL Server, MySQL,PostgreSQL আর কিছু নন-রিলেসনাল ডাটাবেস গুলো হলো যেমন – mongoDB, Redis ইত্যাদি। এখনকার দিনে অনেক ওয়েবসাইটে ডাটাবেস সিস্টেম ব্যবহার হয়, তাই এটা শিখে রাখা সর্বদা উপকারী প্রমাণিত হতে পারে।

ফ্রেমওয়ার্ক শিখুন

আপনি যে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বেছে নিয়েছেন বা বেছে নেবে সেই অনুযায়ী আপনাকে ফ্রেমওয়ার্ক শিখতে নিতে হবে। কিছু MVC (Model-View-Controller) ফ্রেমওয়ার্ক রয়েছে যেগুলো আপনি শিখতে পারেন যেমন – Django, ExpressJs, Ruby-on-Rails, Spring Boot, Laravel ইত্যাদি. আপনি শুধু একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়েও সম্পূর্ণ একটি অ্যাপ্লিকেশানের কোড লিখতে পারেন, কিন্তু এটা একটু কঠিন ও বেশি সময় লাগতে পারে। যদি আপনি ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করতে শেখেন তাহলে কোডটা অনেকটা ছোট হবে ও কোড লেখা অনেকটা সহজ হয়ে যাবে। তাই আপনাকে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ অনুযায়ী যেকোনো একটি ফ্রেমওয়ার্ক শেখা উচিত। যদি আপনি Python ল্যাঙ্গুয়েজ শেখেন তবে আপনি Django, Javascript শিখলে ExpressJs, Ruby-এর জন্য Ruby-On-Rails, Java-এর জন্য Spring Boot, PHP-এর জন্য Laravel শিখতে পারেন।

API হ্যান্ডলিং করা শিখুন

অ্যাপ্লিকেশান প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস বা API ২ টি অ্যাপ্লিকেশানের এর মধ্যে একটি ব্রিজের মতো কাজ করে। API-এর সাহায্যে ব্যাক এন্ড রিকুয়েস্ট গ্রহণ করে ফ্রন্ট এন্ড থেকে এবং ফ্রন্ট এন্ড রেস্পন্স গ্রহণ করে ব্যাক এন্ড থেকে। ধরুন কোনো একটা ওয়েবসাইট যেখানে আপনি কিছু পড়তে চান, তারপর আপনি যখন কোন আর্টিকেলে ক্লিক করবেন তখন ফ্রন্ট এন্ড একটা রিকুয়েস্ট পাঠাবে ব্যাক এন্ডের কাছে, তারপর ব্যাক এন্ড সেই রিকুয়েস্ট অনুযায়ী ফ্রন্টএন্ডের কাছে রেস্পন্স পাঠাবে এবং ফ্রন্টএন্ড সেই রেস্পন্সের সঙ্গে পাওয়া ডাটা গুলো দিয়ে ব্রাউজারে আর্টিকেল হিসাবে দেখাবে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তাই ব্যাকএন্ড ডেভেলপমেন্ট শিখতে গেলে আপনাকে API হ্যান্ডলিং বা নিয়ন্ত্রণ করা শিখতে হবে।

ভার্সন কন্ট্রোল

সফটওয়্যার ভার্সন কন্ট্রোল সিস্টেম কোন প্রোগ্রামের কোড গুলো একটি স্থানে রাখে যাতে কোড গুলো পরে পাওয়া যায়। এটা খুবই কাজে আসে ধরুন, আপনি কোনো কম্পিউটারে কোড লিখছিলেন কিন্তু কম্পিউটার খারাপ হয়ে গেলো বা কোড গুলো ভুল করে ডিলেট হয়ে গেলো, তখন ওই কোড গুলো আপনি আবার ফিরে পাবেন। ভার্সন কন্ট্রোল সিস্টেম আপডেট হওয়ার আগের কোড এবং কোনো কোড কখন আপডেট হয়েছে সেটাও ঠিক রাখে তাই কোড লিখতে লিখতে কোনো বাগ বা সমস্যা হলে আমরা আবার আগের কোডে ফিরে যেতে পারি। ভার্সন কন্ট্রোল সিস্টেম যেমন GIT এখানে একজনের বেশি ডেভেলপারও এক সঙ্গে কাজ করতে পারবে। কিছু সার্ভিস রয়েছে যার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হল Github এখানে অনলাইনে আপনি কোডে বা প্রোজেক্ট উপলোড করে ভার্সন কন্ট্রোল করতে পারেন।

নিজে কিছু প্রাক্টিকাল প্রোজেক্ট বানান

যতক্ষণ আপনি নিজে কোন কিছু চেষ্টা করবেননা ততক্ষণ আপনি জিনিসটা বুজতে পারবেননা বা শিখতে পারবেননা। তাই শেখার পর আপনাকে প্রাক্টিকাল কিছু প্রোজেক্ট বানানো উচিত যেমন – টুডু লিস্ট অ্যাপ, সাধারণ ক্যালকুলেটর, ফটো গ্যালারি, আর আপনার যা মন বানাতে চায়।



কিছু নতুন করার চেষ্টা করুন

সব স্থানে নতুন আবিষ্কার ও নতুন ধারণা খুবই মূল্যবান। প্রধানত টেকনোলজির দিক থেকে যেটা কিছু নতুন ও কোনো সমস্যার সমাধান। আপনার মাথাই যদি এরকম কোনো নতুন ধারণ বা কোনো নতুন প্রোজেক্ট থাকে তাহলে টা হলে খুবই ভালো, আর যদি না থেকে তাহলে আপনি অন্যান্য যেসব প্রোজেক্ট যেগুলি বাস্তবে এখনকার দিনে ব্যবহার হচ্ছে যেমন- অনলাইনে কেনাকাটার জন্য Amazone, Flipkart ইত্যাদি, এবং সোশ্যাল মিডিয়া সাইট যেমন – ফেসবুক ইত্যাদি অনেক ওয়েব সাইট রয়েছে যেগুলি আপনি নিজে এরকম বানানোর চেষ্টা করতে পারেন।

হোস্টিং ও ডিপ্লইমেন্ট

আপনি যখন সম্পূর্ণ একটি ওয়েবসাইট বানিয়ে ফেলবেন তারপর, যাতে আপনার এই ওয়েবসাইটটি সবাই ব্যবহার করতে পারে তার জন্য আপনাকে ক্লাউডে বা সার্ভারে ওয়েবসাইটটি হোস্ট করতে হবে। কিছু সার্ভিস রয়েছে যেখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইট হোস্ট করতে পারেন যেমন – AWS, Microsoft Azur, Google Cloud, Heroku ইত্যাদি জাইগাই আপনি হোস্ট করতে পারবেন। তার পর ইউজাররা WWW-এর সাহায্যে ওয়েবসাইটটা অ্যাক্সেস করতে পারবে।

আপনারা আসাকরি বুঝতে পেরেছেন যে ব্যাকএন্ড ডেভেলপার হতে গেলে কি কি করতে হবে। যদি আপনি একজন ব্যাকএন্ড ডেভেলপার হতে চান এবং ব্যাক এন্ড ডেভেলপার হিসাবে কোন কম্পানিতে কাজ করতে, ফ্রিলান্সিং করতে বা অন্য কোথাও এটা কাজে লাগাতে চান তবে এখন থেকে শেখার পথে নেমে পড়ুন। কারণ এটা শিখতে গেলে ধৈর্য, চেষ্টা ও সময় লাগবে। উপরে যেভাবে একের পর এক পয়েন্ট দেওয়া হয়েছে সেই ভাবে শেখার চেষ্টা করুন এবং আপনি অনলাইনে অনেক কোর্স ফ্রিতে অথবা কোর্স কিনে শিখতে পারেন। Udemy.com – এ অনেক ভালো ভালো কোর্স কম দামে কিনতে পারবেন।

যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে এখানে ক্লিক করুন এবং আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন ফেইজবুক পেইজে এখানে ক্লিক করে।

এগুলো দেখুন

৬ টি ই-কমার্স বিজনেস মডেল ও ৪ টি মার্কেট সিস্টেম

৬ টি ই-কমার্স বিজনেস মডেল ও ৪ টি মার্কেট সিস্টেম

৬ টি ই-কমার্স বিজনেস মডেল ও ৪ টি মার্কেট সিস্টেম। অনলাইন ব্যবসার পরিকল্পনা তৈরির আগে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *