ব্র্যাক ব্যাংক থেকে লোন পাওয়ার উপায়

ব্র্যাক ব্যাংক থেকে লোন পাওয়ার উপায় আপনি যদি এই মূহুর্তে কোনো আর্থিক সংকটে থাকেন তাহলে আপনি চাইলে ব্র্যাক ব্যাংক থেকে আপনার যেকোনো প্রয়োজনে পার্সোনাল লোন নিতে পারবেন। আপনি যদি ব্র্যাক ব্যাংক থেকে পার্সোনাল লোন নেন তাহলে বর্তমানে অন্য যেকোনো ব্যাংকের তুলানায় সবচাইতে কম ইন্টারেস্ট রেট এ ব্র্যাক ব্যাংক থেকে পার্সোনাল লোন নিতে পারবেন । আপনি সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা লোন নিতে পারবেন ।



আজকে আপনারা জানতে পারবেন যে,

  • ব্র্যাক ব্যাংক থেকে কীভাবে লোন নিতে পারবেন?
  • আপনি যদি ব্র্যাক ব্যাংক পার্সোনাল লোনে জন্য আবেদন করেন সেইক্ষেত্রে আপনি সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন কত টাকা লোন পাবেন? ইন্টারেস্ট রেট কত হবে? মেয়াদ কতদিন?
  • এই লোনটি পাওয়ার জন্য কি কি যোগ্যতা থাকতে হবে?
  • কত টাকা লোনে কত কিস্তি আসবে?
  • ব্র্যাক ব্যাংক পার্সোনাল লোন নেওয়ার জন্য কী কী ডকুমেন্টস লাগবে?
  • এই লোনটি কীভাবে পরিশোধ করতে পারবেন ?
  • ব্র্যাক ব্যাংকের পার্সোনাল লোনের জন্য কোথায় আবেদন করতে পারবেন?

এই তথ্যগুলো।

ব্র্যাক ব্যাংক থেকে কীভাবে লোন নিতে পারবেন?

একটি কৌশরের মাধ্যমে খুব সহজে ব্র্যাক ব্যাংক থেকে লোন নিতে পারবেন, আর সেটি হলো: শুরুতেই একটা কথা না বললেই নয়, যে, লোন আমাদের বিপদের সময় যেমনি কাজে আসে ঠিক তেমনি দরকারের বেশি লোন কিন্তু আমাদের ক্ষতিও ডেকে আনতে পারে।

ব্যাংক তো আপনাকে লোন দেবেই, ব্যাংক লোন দেবে তার ইন্টারেস্টের জন্য । আপনার যেই পরিমাণ লোন দরকার সেই দরকারের চাইতে যদি বেশি পরিমাণ আপনি লোন নেন তাহলেই কিন্তু সেটা ক্ষতির কারণও হতে পারে ।

কেননা আপনি লোন নেয়ার পরে যদি লোনটি নিদিষ্ট সম্ভাব্য লাভযুগ্য কোনও খাতে ইনভেস্ট অথবা ব্যবসায় না লাগিয়ে যদি কোনো প্রকার ভাবে খরচও করে ফেলেন, তাহলে কিন্তু সেই লোনটি আবার পরিশোধের জন্য আপনার যেকোনো প্রকার ক্ষতি হতে পারে। অর্থাৎ ব্যাংক যখন আপনাকে লোন দেবে ব্যাংক কিন্তু আপনার কাছ থেকে সেই টাকাটা অবশ্যই তুলে নেবে।

দরকারের বেশি লোন কখনোই নিতে যাবেন না, কারণ দরকারের বেশি লোন কিন্তু আপনারই ক্ষতির কারণ হতে পারে । অর্থাৎ টাকা যেমনই আপনাকে ভালো করতে পারে তেমনি টাকা আপনার ক্ষতিও করতে পারে ।

পার্সোনাল লোন ইন্টারেস্ট রেট কত? মেয়াদ কতদিন?

আপনি যদি পার্সোনাল লোনে জন্য আবেদন করেন সেইক্ষেত্রে আপনি সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন কত টাকা লোন পাবেন ? ইন্টারেস্ট রেট কত হবে? মেয়াদ কতদিন?

সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন টাকা: আপনি যদি ব্র্যাংক ব্যাংকে লোনের জন্য আবেদন করেন সেইক্ষেত্রে আপনি ১ লাখ টাকা থেকে ২০ লাখ টাকা পযর্ন্ত ব্র্যাংক ব্যাংক থেকে পার্সোনাল লোন নিতে পারবেন ।

মেয়াদ: ১ থেকে ৫ বছর মেয়াদে ।

ইন্টারেস্ট রেট: ইন্টারেস্ট রেট হবে ৭.০০ শতাংশ। আপনি যদি অন্য কোনো ব্যাংক থেকে লোন টেকওভার করেন সেইক্ষেত্রেও ইন্টারেস্ট রেট হবে ৭.০০ শতাংশ।

প্রসেসিং ফ্রী: এই লোনের প্রসেসিং ফ্রী হবে ০.৫ শতাংশ। যেটা সর্বশেষ বাংলাদেশ ব্যাংকের গাইডলাইন অনুযায়ী ।

যদি ব্রাক ব্যাংক থেকে লোন নেয়ার জন্য কী কী যোগ্যতা লাগবে?

আপনি যদি ব্রাক ব্যাংক থেকে পার্সোনাল লোন নিতে চান, তাহলে আপনার যেই যোগ্যতাগুলো থাকতে হবে সেইগুলো হলো:

আপনি যদি কোনো প্রকার লোন নিতে চান তাহলে কিন্তু আপনাকে অবশ্যই একটি মাসিক আয় করতে হবে বা থাকতে হবে। আপনি যদি কোনও চাকরি করেন তাহলেই কিন্তু একটা মাসিক আয় আছে, আপনি যদি কোনো প্রকার ব্যবসা করেন তাহলেও কিন্তু একটা মাসিক আয় থাকবে।

কারণ ব্যাংক যখন আপনাকে লোন দেবে বা দিতে চাইবে তখন কিন্তু আপনার যেই আয় স্টাটাসটা অর্থাৎ আপনি কি করেন, সেই বিষয়ে জানতে চাইবে। যদি আপনার মাসিক কোনো ইনকাম না থাকে, আপনার যদি কোনো ব্যবসা না থাকে তাহলে কিন্তু ব্যাংক আপনাকে কোনো প্রকার লোন দেবে না।

এখন কিন্তু আপনার একটা প্রশ্ন থাকবে যে, কেন দেবে না? তার আপনাকে একটা প্রশ্ন করা যাক যে, আপনি এমন কাউকে কি টাকা দেবেন যার কাছ থেকে টাকাটা আবার রিটার্ন আসার সম্ভবনা থাকবে না? হয়তো আপনার উত্তর অবশ্যই ‘না’ হবে। আপনি যেমন কাউকে কোনও প্রকার লোন বা কোনও প্রকার হাওলাত টাকা দেবেন না যেখান থেকে টাকা আসার সম্ভবনা নেই, ব্যাংকও ঠিক এ কি রকম।

ব্যাংকও আপনাকে কোনও প্রকার লোন দেবে না যদি ব্যাংক ভাবে, যদি মনে করে যে, আপনার কাছ থেকে সেই টাকাটা উদ্ধার করা অর্থাৎ আপনি সেই টাকাটা পরিশোধ করার যোগ্যতা রাখেন না। সেই ক্ষেত্রে কিন্তু ব্যাংক থেকে কোনও লোন পাবেন না। সেই ক্ষেত্রে আপনার অবশ্যই মাসিক আয় থাকতে হবে অর্থাৎ একটা ব্যবসা থাকতে হবে।

জাতীয়তা: আপনাকে অবশ্যই বাংলাদেশি হতে হবে।

মাসিক আয়: আপনি যদি বেতনভুক্ত বা পেশাদার হন সেই ক্ষেত্রে প্রতিমাসে যদি আপনার আয় ২৫ হাজার টাকা হয় তাহলে আপনি ব্র্যাক ব্যাংকে পার্সোনাল লোনের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

আর যদি আপনি বিজনেসম্যান হন সেই ক্ষেত্রে আপনার আয় যদি ৫০ হাজার টাকা হয় তাহলে আপনি ব্র্যাক ব্যাংক থেকে পার্সোনাল লোনের জন্য আবেদন করতে পারবেন ।

কাজের অভিজ্ঞতা: আপনি যদি বেতনভুক্ত ব্যক্তি হন সেই ক্ষেত্রে আপনাকে যেকোনো প্রতিষ্ঠানে ১ বছরের পার্মানেন্ট চারকির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। আর আপনি যদি পেশাদার হন অর্থাৎ ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হন এই ক্ষেত্রে আপনার ৬ মাসের প্রেকটিস এক্সপেরিয়েন্স থাকতে হবে। আর যদি আপনি ব্যবসায়ী হন সেই ক্ষেত্রে আপনার ব্যবসার বয়স অবশ্যই ৩ বছর হতে হবে তাহলেই আপনি ব্র্যাক ব্যাংকে পার্সোনাল লোনের জন্য আবেদন করতে পারবেন ।

কত টাকা লোনে কত কিস্তি আসবে ?

আপনি যদি ১ লক্ষ টাকা লোন নেন ২ বছরের জন্য নেন সেইক্ষেত্রে আপনার লোনের পরিমাণ হবে ১ লক্ষ টাকা, ইন্টারেস্ট রেট হবে ৭.০০ শতাংশ, মেয়াদ হবে ২ বছর, আপনার থেকে নোট কিস্তি দিতে হবে ২৪ টি, আর মাসিক কিস্তি আসবে ৪৪৭৭.২৬ টাকা, আপনার থেকে মোট ইন্টারেস্ট রেট দিতে হবে ৭৪৫৪.১৯ টাকা ।

আপনি যদি ৫ লক্ষ টাকা ৫ বছরের জন্য নেন সেইক্ষেত্রে আপনার লোনের পরিমান হবে ৫ লক্ষ টাকা, আপনার ইন্টারেস্ট রেট হবে ৭.০০ শতাংশ, ইএমআই আসবে মেয়াদ হবে ৫ বছর, আপনার থেকে নোট কিস্তি দিতে হবে ৬০ টি, আর মাসিক কিস্তি হবে ৯৯০০.৬০ টাকা, এবং ৫ লক্ষ টাকা ৫ বছরে মোট ইন্টারেস্ট রেট হবে ৯৪০৩৫.৯৬ টাকা ।

ব্র্যাক ব্যাংক পার্সোনাল লোন নেওয়ার জন্য কী কী ডকুমেন্টস লাগবে?

প্রথমে, আপনার কমন ডকুমেন্টস লাগবে । এর মানে আপনি যেই প্রফেশনালের লোক হোন না কেন সেইক্ষেত্রে আপনার কমন ডকুমেন্টসগুলো লাগবে । আপনার যেই যেই কমন ডকুমেন্টসগুলো লাগবে সেগুলো হলো যেমন :

  • দুই কপি ছবি
  • NID কপি
  • নমিনি NID কার্ডের কপি
  • ভিজিটিং কার্ড / অফিস আইডি
  • ই-টিন কপি
  • বিদ্যুৎ বিল / ইউটিলিটি বিলের কপির দরকার হবে ।

যেহেতু আপনি ব্র্যাক ব্যাংকে পার্সোনাল লোনের জন্য এপ্লাই করবেন সেই ক্ষেত্রে আপনার একজন গ্যারান্টের থাকতে হবে। সেটা আপনার ফ্যামিলির কেউ একজনও হতে পারে অথবা আপনার পরিচিত কেউ একজনও হতে পারে । সেই ক্ষেত্রে আপনার যেই গ্যারান্টের থাকবে তার ২ কপি ছবি, NID কার্ডের ফটোকপি লাগবে। পাশাপাশি ব্যাংকের রিকোয়ামেন্ড অনুযায়ী আড্রাস কিছু ডকুমেন্টসের প্রয়োজন হতে পারে। তো এগুলো হচ্ছে কমন ডকুমেন্টস ।

এছাড়াও প্রত্যেকটা প্রফেশন অনুযায়ী আপনাকে আলাদা আলাদা কিছু ডকুমেন্টস দিতে হবে সেগুলো হচ্ছে যেমন:

১. বেতনভুক্ত ব্যক্তি

আপনি যদি বেতনভুক্ত ব্যক্তি হন তাহলে আপনার স্যলারি সার্টিফিকেটের কপি লাগবে, পে– স্লিকের কপি এবং ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্টে লাগবে যেখানে আপনার স্যলারিটা সাবমিট করতে হবে ।

২. পেশার ক্ষেত্রে

আপনি যদি পেশাদার ব্যক্তি হন, তাহলে আপনার পেশাদারি সার্টিফিকেট কপি, যেমন আপনি যদি ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হন সেই ক্ষেত্রে আপনার বিএমডিসির সার্টিফিকেট লাগবে। তো আপনি যেই যেই প্রফেশনের হোন না কেন সেই প্রফেশন অনুযায়ী আপনার পেশাদারিত্ব যেই সার্টিফিকেটটা রয়েছে সেটার ফটোকপি লাগবে, আপনি লেটার হেডে যেই আয়টা করেন সেটার ডিক্লেয়ারেশন দিবেন, এবং আপনার ১ বছর ব্যাংক এস্টেটমেন্ট লাগবে ।

৩. ব্যবসায়ীর ক্ষেত্রে

আপনি যদি বিজনেসম্যান হন সেই ক্ষেত্রে আপনার বিজনেসের লাস্ট ৩ বছরের ট্রেড লাইসেন্সের কপি লাগবে এবং আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যদি পার্টনারশিপ কম্পানি হয় সেই ক্ষেত্রে আপনার পার্টনারশিপ ডিড লাগবে। আর যদি লিমিটেড কোম্পানি হয় সেই ক্ষেত্রে মোয়া কপি লাগবে। ১ বছরের ব্যাংক স্টেটমেন্ট লাগবে আর কম্পানির TIN / BIN সার্টিফিকেটের কপির প্রয়োজন হবে ।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য

তো আপনি যদি ব্র্যাক ব্যাংকের পার্সোনাল লোনের সম্পর্কে আরও গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য আছে চলুন সেগুলো জেনে নিন।

প্রথমত, শুধুমাত্র পারমানেন্ট কর্মী ও এই লোক নিতে পারবে । অর্থাৎ ব্র্যাক ব্যাংকে লোনের জন্য কন্টাকচুয়াল এমপ্লয়ি আবেদন করতে পারবে। এবং অনেকেই রয়েছে যারা বিভিন্ন কোম্পানিতে জব করে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জব করে যারা হয়তো পাল্মারেট এমপ্লয়ি না। তার পূর্বে এতদিন পযর্ন্ত যারা ছিলো পাল্মারেট না-হলে আপনি কোনো ব্যাংক থেকে লোন বা ক্রেডিট কার্ডের জন্য এপ্লাই করতে পারতেন না বা এপ্লাই করলেও সেটা ডিকলাইন হতো ।

কিন্তু ব্র্যাক ব্যাংকে পার্সোনাল লোনের জন্য কোনো কন্টাকচুয়াল এমপ্লয়ি চাইলে আবেদন করতে পারবে এবং তিনিও এই লোনটা নিতে পারবে । তবে আপনার সেলারি যদি ১ লাখ টাকা হয় সেইক্ষেত্রে আপনি পার্সোনাল লোন নিতে পারবেন না ।

দ্বিতীয়, লোন নেয়ার ৬ মাস পর আংশিক বা ফুল আর্লিসেটেলমেন্ট করা যায় । অর্থাৎ আপনি লোন নেয়ার পর আপনি চাইলে যেকোনো মূহুর্তে সেই লোনটা আংশিক বা ফুল আর্লিসেটেলমেন্ট করতে পারবেন ।

দরুণ আপনি ৫ লাখ টাকা লোন নিয়েছেন ৫ বছরের জন্য , কিন্তু আপনি ২ বছর যাওয়ার পর চাইছেন আপনার লোনের সম্পূর্ণ টাকাগুলো একেবারে পরিশোধ করে দিতে সেইটা সম্ভব অথবা আপনি যদি আংশিক সেটেল করতে চান সেটাও সম্ভব।

আর্লিসেটেলমেন্ট ফ্রী: আপনি যদি আংশিক আর্লিসেটেলমেন্ট করেন সেইক্ষেত্রে ০.৫ শতাংশ। আর আপনি যদি ফুল আর্লিসেটেলমেন্ট করেন সেইক্ষেত্রে আপনার ০.৫ শতাংশ আর্লিসেটেলমেন্ট ফ্রী চার্জ হবে ।

আপনি চাইলে আপনার পরিবারের যেকোনো সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে জয়েন্টলি এই লোনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। হয়তো আপনি যদি এককভাবে আবেদন করতে চান তাহলে আপনার আয় অনুযায়ী এমাউন্টা কম পাবেন। তো আপনি যদি বেশি এমাউন্ট পেতে চান তাহলে



আপনি চাইলে আপনার পরিবারের আপনার বাবা, মা, ভাই, বোন বা যেকোনো কাউকে জয়েন্টলি নিয়ে এই লোনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তাহলে হয়তো আপনাদের ২ জনের আয়টা যখন দেখাবেন তখন আপনাদের টোটাল আয়ের উপর ভিত্তি করেই আপনার লোনের এপ্লাইটা এপ্রুফ হবে। তো সেই ক্ষেত্রে আপনি বেশি পরিমাণে লোন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকছে।

এবং এই লোনের পরিমাণ যদি ৫ লাখ টাকার কম হয় তাহলে আপনার ই-টিন সার্টিফিকেট লাগবে না। আর যদি ৫ লাখ টাকা বেশি হয় তাহলে আপনার ই-টিন সার্টিফিকেট লাগবে ।

সকল ডকুমেন্টস ঠিক থাকলে ৫ থেকে ৭ কর্মদিবসে লোন পাবেন ।

৭. ব্র্যাক ব্যাংকের পার্সোনাল লোনের জন্য কোথায় আবেদন করতে পারবেন?

তো আপনি ব্র্যাক ব্যাংকের পার্সোনাল লোনের জন্য চাইলে করতে পারবেন ব্র্যাক ব্যাংকের ১৮৬ টি মূল শাখা আছে ৪৫৭ টি এসএমই শাখা ও ৫০০টিরও বেশি এজেন্ট ব্যাংকিং পয়েন্ট আছে। আপনি যেখান থেকে চাইলে ব্র্যাক ব্যাংকে পার্সোনাল লোনের জন্য আবেদন করতে পারবেন । অথবা আপনি চাইলে ঘরে বসে অনলাইনেও আবেদন করতে পারেন ।

ব্র্যাক ব্যাংকের একটা অনলাইন এপ্লিকেশন পোটল আছে। আপনারা চাইলে এই লিংকে এপ্লাই করতে পারবেন । তাহলে ব্র্যাক ব্যাংক থেকে আপনার সাথে সরাসরি কমেনিকেড করা হবে ।

যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে এখানে ক্লিক করুন এবং আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন ফেইজবুক পেইজে এখানে ক্লিক করে।

এগুলো দেখুন

জীবনবিমায় প্রিমিয়াম, বোনাস এবং বার্ষিকবৃত্তি

জীবনবিমা: দাবি আদায় পদ্ধতি

জেনে নিন জীবনবিমা: দাবি আদায় পদ্ধতি সম্পের্কে। আসুন আজকে এ সম্পর্কে আলোচনা করে বিস্তারিত জেনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *