জেনে নিন সঞ্চয়পত্র আয়কর সনদে নতুন সূচনা সম্পর্কে। আসুন এ সম্পর্কে আজকে আলোচনা করে বিস্তারিত জেনে নেওয়ার যাক। সঞ্চয়পত্রের উপর ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত টিআইএন দাখিল করতে হবে। প্রত্যেক টিআইএন ধারীকে রিটার্ণ দাখিল করতে হবে। সঞ্চয়পত্র হতে ৫ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত উৎসে আয়কর কর্তন করা হয়।
- আরো পড়ুন: সঞ্চয়পত্রে প্রতি লাখে মাসিক ৯১২.০০ টাকা মুনাফা
- আরো পড়ুন: ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সঞ্চয়পত্র মুনাফার হার
- আরো পড়ুন: সঞ্চয়পত্রের নতুন মুনাফার হার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ
সঞ্চয়পত্র আয়কর সনদে নতুন সূচনা
এ ক্ষেত্রে তাই টিআইনধারীগণকে উৎসে আয়কর সনদ সংগ্রহ করে রিটার্ণ সাবমিট করতে হয়। সাধারণত আয় অনুসারে ছোট ছোট সঞ্চয় দিয়ে সঞ্চয়পত্র ক্রয় করা হয় তাই একাধিক আয়কর সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হত। বর্তমানে একটি সঞ্চয়পত্র সনদেই সকল হিসাব বিদ্যমান থাকবে।
এখন হতে নতুন অনলাইন সিস্টেমে সঞ্চয়পত্রের “ট্যাক্স_সার্টিফিকেট” এধরনের ফরম্যাটে দেয়া হবে। আগে প্রতিটা সঞ্চয়পত্রের জন্য আলাদা আলাদা সার্টিফিকেট দেয়া লাগতো। বর্তমানে একটি প্রত্যয়নপত্রেই একজন গ্রাহকের সকল সঞ্চয়পত্রের তথ্য থাকবে।
যারা ট্যাক্স সার্টিফিকেট নেয়ার আবেদন করবেন তারা অবশ্যই NID কপি যুক্ত করবেন। এবছর রিটার্ন দাখিলের জন্য আগের ফরমেটে যাদের নেয়া হয়ে গেছে সেগুলোও কার্যকর থাকবে। তাই বিভ্রান্ত হবেন না। আয়কর রিটার্ণ দাখিলের জন্য উৎসে আয়কর কর্তনের সনদের জন্য আবেদন।

বিঃ দ্রঃ এই সার্টিফিকেট নিতে হলে, যেখান হতে সঞ্চয়পত্র কিনেছেন সেই অফিসে আবেদন করতে হবে এবং সেই অফিস আপনাকে এধরনের সার্টিফিকেট দেবে। নিজে নিজে অনলাইন হতে নেয়া যায় না। এটা আয়কর রিটার্নের সাথে জমা দিতে হয়।
তবে আয়কর সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে গিয়ে কেউ কেউ বিপাকেও পড়ছেন। তবে ব্যাংক হতে সংগ্রহ করতে যাওয়া Arafat Shahriar বিপাকে পড়ে বর্নিত অভিজ্ঞতা হয়েছে। আমি সোনালী ব্যাংকের যে শাখা থেকে সঞ্চয়পত্র কিনেছি, সেই শাখার ম্যানেজার এই প্রত্যয়নপত্রের বিষয়ে কিছুই জানেন না। তাকে এটা দেখানোর পর এবং ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেয়ার সময় লাগবে বুঝিয়ে বলার পরও তিনি বলছেন এটা লাগে না। কেউ নাকি এটা নেয় না।
তিনি বিভাগের মূল শাখার সাথে কথা বলতে বলেন। এরপর যেখান থেকে এটা দেয়, সেখান থেকেই কিনতে বলেন। এক লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনতে গেলে তিনি অনীহা প্রকাশ করেন। তিনিই আমাকে মেইলে যে ফর্ম দিয়েছেন, সেটি কালার ও লিগ্যাল সাইজ। এখন বলে ‘কালার প্রিন্ট করছেন কেন, এতে রেজুলেশন বেশি হয়। বারবার বলার পরও আপনারা শুনেন না।’
এটি বলেন নি বলার পরও তিনি বলতেই থাকেন, তিনি বলেছেন। লিগ্যাল সাইজ নাকি স্ক্যান করা যায় না। তার স্ক্যানার ছোট, সেটা তার সমস্যা। বিষয়টি আগে জানালে এ ফোর প্রিন্ট সাইজ প্রিন্ট করে নিয়ে যেতাম। আরো কিছু কথা উল্লেখ করলাম না। তার আচরণ ছিল পুরোই অপেশাদার এবং তিনি চূড়ান্ত অজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছেন। আমিও সোনালী ব্যাংক পরিবারের একজন সদস্য, আমার ২ ভাই সিনিয়র ব্যাংকার। সোনালী ব্যাংক আধুনিক হয়েছে জানতাম।
প্রশ্নোত্তর:
প্রশ্ন: আমার একটা সঞ্চয়পত্র কেনা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আর অন্য একটা SCB থেকে। একটা ফর্মে সব সঞ্চয়পত্রের তথ্য থাকলে যেকোন এক জায়গাতে আবেদন করলেই তো হবে?
উত্তর: হবে।
প্রশ্ন: ভাই, সঞ্চয় পত্রের স্লিপ হারিয়ে গেলে কি করতে হবে।
উত্তর: NID কপি সহ সংশ্লিষ্ঠ অফিসে যোগাযোগ করুন। ডুপ্লিকেট কপি দেয়ার ব্যবস্থা আছে।
- আরো পড়ুন: গোলমরিচের বিষেশ গুণ
- আরো পড়ুন: গর্ভবতী মায়েদের বাড়তি পুষ্টি সহ ১৬টি রোগের ঔষধ জিরা পানি
- আরো পড়ুন: তারুণ্যের চাই সুষম খাদ্যাভ্যাস
প্রশ্ন: পোস্ট অফিস থেকে তো অন্য একটা ফরম্যাটে দেয়?
উত্তর: আজ হতে চালু হয়েছে।
প্রশ্ন: একজন গ্রাহকের যদি তিন জায়গায় সঞ্চয়পত্র কেনা থাকে তখন তাহলে কী করতে হবে!
উত্তর: যেকোনো এক জায়গায় আবেদন করলেই হবে।
যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে এখানে ক্লিক করুন এবং আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন ফেইজবুক পেইজে এখানে ক্লিক করে।
Durba TV academic Website