জেনে নিন থাইল্যান্ডের ট্যুরিস্ট ভিসা কিভাবে পাবেন? আসুন এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাক। নাগরিক জীবন থেকে একটুখানি ছুটি দরকার। নিজেকে আলাদা করে সময় দেয়ার সময় বের করতে হয়। দৈনন্দিন কাজের চাপে নাস্তানাবুদ হওয়া মাথাটাকে স্বস্তি দিতেই প্রয়োজন নিরিবিল একটি ভ্রমণ। আপনি হয়তো অনেক ঘুরে বেরিয়েছেন দেশের ভেতরে।
- আরো পড়ুন: কম্পিউটার গ্রাফিক্স কি? কিভাবে কাজ করতে হয়?
- আরো পড়ুন: ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বাড়ানোর সেরা ৫ টি কৌশল
- আরো পড়ুন: ওয়েব ডিজাইন ক্যারিয়ার
চাচ্ছেন একটু বিদেশ ঘুরে আসতে। তাহলে বেছে নিন থাইল্যান্ডকে। এটি এমন এক দেশ, যেখানে ভ্রমণে আধুনিক সকল সুযোগ-সুবিধা আপনি পাবেন। এখন কথা হলো, দেশের মতো চাইলেই তো থাইল্যান্ড ঘুরতে যাওয়া যাবে না। প্রয়োজন হবে ভিসার। সেটি হতে হবে ভ্রমণভিসা।
থাইল্যান্ড ভ্রমণের ক্ষেত্রে কয়েক ধরনের ভিসা প্রদান করে থাকে, যথা-ট্যুরিস্ট ভিসা, ট্রানজিট ভিসা, ননইমিগ্রাশন ভিসা ও গ্রুপ ট্রাভেল ভিসা।
থাইল্যান্ডের ট্যুরিস্ট ভিসা কিভাবে পাবেন?
কি কি ডকুমেন্ট লাগবে?
থাইল্যান্ডের ট্যুরিস্ট ভিসার মাধ্যমে আপনি ভ্রমণের জন্য নির্দিষ্ট একটি সময় অবস্থান করতে পারবেন। ভিসাটি আপনার পাসপোর্টের সাথে যুক্ত করে দেয়া হয়। সেটি একটি স্ট্যাম্প জাতীয় ভিসা। থাইল্যান্ডের ট্যুরিস্ট ভিসা নেয়ার জন্য কিছু জরুরি ডকুমেন্টস দরকার হয়। এর মধ্যে আছে-
- কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদী পাসপোর্ট
- জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
- পাসপোর্টের বায়ো পেজ বা ১ থেকে ৫ পৃষ্ঠা ফটোকটি
- পূর্বে ভিসা নিয়ে থাকলে তার ফটোকটি
- দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি (৩.৫×৪.৫ সে.মি।
- ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট
- শিক্ষার্থী হলে তার পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং চাকরি করলে তার কর্মস্থলের পরিচয়পত্রের ফটোকপি
- ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট (ব্যাংকে কমপক্ষে ৮০ হাজার টাকা জমা থাকতে হবে)
- ভিসার কভার লেটার
- মহামারীর কারণে অতিরিক্ত কিছু ডকুমেন্ট যেমন-করোনা নেগেটিভ সনদ এবং টিকা গ্রহণের প্রমাণপত্র
- কর্মরত প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশপত্র/ছুটির অনুমতিপত্র
- ট্রাভেল আইটিনারি বা থাইল্যান্ডে কী করবেন, কোথায় থাকবেন ইত্যাদি
- ভিসা আবেদন ফরম।
ভিসা ফি ও মেয়াদ
- সিঙ্গেল এন্ট্রি, বা একবার যাওয়া-আসা ভিসার জন্য খরচ পড়বে ৩ হাজার ৮০০ টাকা। মেয়াদ ৩ মাস। প্রতি ভ্রমণে ৬০ দিন থাইল্যান্ডে অবস্থান করা যাবে।
- মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা বা বহুবার যাতায়াতের ভিসা করতে খরচ পড়বে ১৫ হাজার ৮০০ টাকা। ভিসা হবে ৬০ মাস মেয়াদী এবং একবার ভ্রমণে থাইল্যান্ডে টানা ৬০ দিন অবস্থান করা যাবে।
আবেদন করবেন কিভাবে?
ভিসা আবেদন জমা দিতে হবে গুলশানে অবস্থিত ভিএফএস অফিসে গিয়ে। রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার যেকোনো দিন জমা দেয়া যাবে। ভিসা আবেদন গ্রহণ করা হয় সাকল সাড়ে ৮ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত। ৩০০টি আবেদন জমা নেয়া হয়। ভেতরে যাওয়ার সময় কেবল আবেদনের ডকুমেন্ট এবং পাসপোর্ট সাথে নিয়ে যেতে পারবেন। সব ডকুমেন্ট দেখে আবেদনকারীকে মানি রিসিট দেয়া হবে। মানি রিসিট নিয়ে টাকা জমা দেয়ার পর পুর্বের কাউন্টার থেকে আপনাকে পাসপোর্ট নেয়ার একটি স্লিপ দিয়ে প্রদান করবে।
- আরো পড়ুন: গ্রাফিক্স ডিজাইনে কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়(এটুজেড)
- আরো পড়ুন: ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে কি কি প্রয়োজন
- আরো পড়ুন: গুগল অ্যাডসেন্স ও ফেসবুক থেকে সহজে যেভাবে আয় করবেন
ভিসা পেতে কত সময় লাগে?
সাধারণত ৩ থেকে ৫ দিনের মাঝে ভিসা এবং পাসপোর্ট পাওয়া যায়। রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর ১ টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভিসা ও পাসপোর্ট বিতরণ করা হয়।
থাইল্যান্ডের ট্যুরিস্ট ভিসা সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে ও আবেদন করতে ভিজিট করুন।
যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে এখানে ক্লিক করুন এবং আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন ফেইজবুক পেইজে এখানে ক্লিক করে।
Durba TV academic Website