সিটি ব্যাংক বাইক লোন নেওয়ার সিস্টেম-City Bank Ltd

DTV Desk / ১৬৪১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ২২ জুন, ২০২১

বাইক লোন দিচ্ছেন দেশের জনপ্রতি ব্যাংক “সিটি ব্যাংক“  City Bank Ltd বাংলাদেশের অন্যান্য ব্যাংকের মধ্যে একটি জনপ্রিয় ব্যাংক এটি। দেশের ছোট-বড় ব্যবসায়ীদের মাঝে একটি বিশ্বাস্তা অর্জন করেছেন ইতিপূর্বে।

এরই ধারাবাহিকাতায় সিটি ব্যাংক বাইক লোন প্রকল্প চালুন করেছেন। দেশের ভিবিন্নস্থান থেকে বাইক লোন নিয়ে যে কেউ নতুন বাইক নামাতে পারেন। গ্রাহককে দেওয়া হচ্ছে ৮০% পযর্ন্ত বাইক লোনের সুবিধা। মানে বাইরেকর বাজার দরের মোট ৮০% লোন দিচ্ছেন সিটি ব্যাংক।

অনেকেই ভাবছেন দু-চাকার কথা, মানে হচ্ছে মোটরসাইকেলের কথা। অনেক বাইকারের কাছেই পুরোটাকা না থাকার কারণে লোন সুবিধার মাধ্যমে বাইক ক্রয়ের কথা ভাবছেন। তাদের জন্য সিটি ব্যাংক নিয়ে এসেছে বাইক লোনের সুবিধা সিটি ব্যাংক বাইক লোন।

সিটি ব্যাংক বাইক লোন সুবিধার এই সিস্টেমটি তৈরি করা হয়েছে মূলত বাংলাদেশে বাইকের চাহিদা বেড়ে যাবার কারণে।

দ্বিমুখী সমস্যার চমৎকার সমাধান হতে পারে কিস্তিতে মোটরসাইকেল কিনতে পারা। আমাদের অনেকের মনেই একটি প্রশ্ন আছে সেটা হলো, কিস্তিতে মোটরসাইকেল কিনতে চাই, কি করনীয়? কী করণীয় তা জানার আগে মোটরসাইকেল কিস্তিতে কেনার সুবিধা এবং অসুবিধাগুলোতে একবার চোখ বুলিয়ে নিলে মন্দ হয় না। আমরা বাইক লোন নেওয়ার আগে জেনে নেই কিস্তিতে বাইক লোন নিলে কি কি সুবিধা এবং কি কি অসুবিধা।

বাইক লোনের সুবিধা

  • যেকোন ব্র্যান্ডের বাইক কিনিতে পারবেন।
  • এককালীন বেশি টাকা খরচ হবে না।
  • অল্প টাকায় অত্যাধুনিক ফিচারের বাইক নিতে পারবেন।
  • স্বল্প সময়ের মধ্যে পছন্দের বাইক কিনতে পারবেন।

বাইক লোনের অসুবিধা

  • প্রথমত বাজার মূল্যের চেয়ে বেশি ইন্টারেস্টে বাইকের মূল্য দিতে হয়।
  • বাইকের কোন ক্ষতি অথবা চুরি হলেও আপনাকে টাকা দিতে হবে।
  • সম্পুর্ণ টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত আপনাকে মানসিক চিন্তায় থাকতে হবে।

বাইক কেনার বন্ধুরা বাইক কেনার আগে সুবিধা অসুবিধাগুলো দেখে নিন। নিজের জীবনযাত্রার সাথে তুলনা করে দেখুন, কোনটি আপনার জন্য উপযোগী ও ঠিক এই মুহূর্তেই আপনার মোটরসাইকেল কেনাটা সর্বোচ্চ জরুরী কিনা। আপনি বাইক লোন নেওয়ার পরে ঠিক মত লোন পরিশোধ করতে পারবেন কি না। কিস্তিতে মোটরসাইকেল কিনতে হলে আপনাকে অবশ্যই কিছু ডকুমেন্ট জমা দিতে হবে, আজ আমরা এই সম্পর্কে আলোচনা করবো। নিচে বাইক লোন নেওয়ার শর্তসমূহ তুলে ধরা হলো।

লোন নেবার শর্তসমূহ

  • লোন সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত নেয়া যাবে
  • শতকরা ৮০ ভাগ পর্যন্ত ফাইন্যান্স নেয়া যাবে বাইকের দাম ও রেজিস্ট্রেশন সহ
  • মেয়ে এবং সিটি ব্যাংকের কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য শতকরা ১০০ ভাগ পর্যন্ত লোন দেয়া যাবে
  • ৬ – ৩৬ মাসের কিস্তি সুবিধা পাওয়া যাবে
  • সিটি ব্যাংকের এফডিআর এর বিপরীতে ৯৫% লোন নেয়া যাবে

কারা লোন নিতে পারবেন

  •  এক্সিকিউটিভ
  •  সেলফ ইমপ্লোয়েড প্রোফেশনাল
  • ব্যবসায়ী
  •  জমির মালিক
  • প্রবাসী
  •  রাইড শেয়ারিং সার্ভিস
  • ফ্রীল্যান্সার

কাজের অভিজ্ঞতা

  • বেতন ভুক্ত কর্মচারী – ১ বছর
  • ব্যবসায়ী, ফ্রীল্যান্সার এবং প্রোফেশনাল – ১ বছর
  • প্রবাসী – ৬ মাস

সর্বোনিম্ন মাসিক আয়

  • বেতন ভুক্ত কর্মচারী – ১২,০০০/- (সিটি ব্যাংক স্টাফ)
  • বেতন ভুক্ত কর্মচারী – ১৫,০০০/- (একাউন্ট পে)
  • বেতন ভুক্ত কর্মচারী – ২০,০০০/- (ক্যাশ পে)
  • ব্যবসায়ী, প্রোফেশনাল, জমির মালিক – ২৫,০০০/-
  • ফ্রীল্যান্সার – ৩০,০০০/-
  • রাইড শেয়ারিং – ১৫,০০০/-
  • প্রবাসী – ২০,০০০/-

ইন্টারেস্ট রেট

  • সাধারণ – ১২.৯৯%
  • মেয়ে কাস্টোমার – ১১.৯৯%
  • ইয়ামাহা, বাজাজ, হোন্ডা কাস্টোমার – ১১.৯৯%
  • রাইড শেয়ারিং পার্টনার – ৯.৯৯%
  • সিটি ব্যাংক স্টাফ – ৪.৯৪%

অন্যান্য ফী ও চার্জ

লোন প্রসেসিং ফী ১% যা লোনের উপর নির্ভর করে + ভ্যাট (মেয়ে এবং সিটি ব্যাংক স্টাফের জন্য ছাড়) এবং বাজাজ কাস্টোমারদের জন্য এটা ৫%
কাগজপত্র ও ডকুমেন্টের জন্য ১০০০/- টাকা (মেয়ে এবং সিটি ব্যাংক স্টাফের জন্য ছাড়)

সিকিউরিটি

জয়েন্ট রেজিস্টেশন একটি রি-পেমেন্ট চেক যেখানে লোনের পুরো টাকা ইন্টারেস্ট সহ উল্লেখ করা থাকবে
এছাড়া ব্যাংকের আরও অনেক ফরমালিটি রয়েছে, যা এখানে বিস্তারিত ভাবে উল্লেখ করা সম্ভব হচ্ছে না। আপনি বিস্তারিত জানতে সিটি ব্যাংক এর হটলাইন নাম্বারে যোগাযোগ করুন। অথবা সিটি ব্যাংকের বাইক লোনের ওয়েবসাইটে যোগাযোগ করুন।

আরো পড়ুন:অনলাইন ব্যাংকিং কাকে বলে?

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে যুক্ত হতে এখানে ক্লিক করুন।


এই বিভাগের আরো সংবাদ