জেনে নিন স্বল্প ওজনের নবজাতকের যত্ন কিভাবে নিবেন। আসুন এ সম্পর্কে আলোচনা করে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক। জন্মের সময় শিশুর ওজন যদি আড়াই কেজির কম হয়, তাহলে ধরে নেয়া হয়, শিশুটি এলবিডব্লিউ বা লো বার্থ ওয়েট শিশু, বাংলায় বলা যায় স্বল্প ওজন নিয়ে ভূমিষ্ঠ শিশু। জন্মকালীন ওজন দেড় কেজির কম হলে তাকে খুব কম ওজনের শিশু বা ভেরি লো বার্থ ওয়েট এবং ৭৫০ গ্রামের কম ওজনের হলে চরম ওজনহীন শিশু বলা হয়।
- আরো পড়ুন: পিআরপি থেরাপি কী
- আরো পড়ুন: চোখে খোঁচা বা আঘাত লাগে যা করবেন
- আরো পড়ুন: মাথায় আঘাত পেলে যা করবেন
স্বল্প ওজনের নবজাতকের যত্ন
নানান কারণে স্বল্প ওজনের শিশুর জন্ম হতে পারে। অপ্রাপ্তবয়স্ক বা কিশোরী মায়ের সন্তানের ওজন সাধারণত কম হয়। গর্ভে শিশু পরিণত বা ম্যাচিউর হওয়ার আগেই ভূমিষ্ঠ হলে, মানে পূর্ণ গর্ভকাল শেষ হওয়ার আগেই ভূমিষ্ঠ হলে ওজন খুব কম হয়। গর্ভাবস্থায় যদি মায়ের ডায়াবেটিস, হৃদ্রোগ, কিডনিরোগ, পুষ্টিহীনতা, রক্তশূন্যতা, বড় ধরনের সংক্রমণ, টক্সেমিয়া, রক্তস্রাব বা এ ধরনের জটিলতা থাকে, তাহলে নবজাতকের ওজন কম হতে পারে। যমজ শিশু বা জন্মগত ত্রুটি নিয়ে জন্মানো শিশুর ওজনও কম হতে পারে। ধূমপায়ী মায়ের সন্তানের জন্মের সময়ও ওজন কম থাকে।
কম ওজনের নবজাতক সহজেই রোগাক্রান্ত হয়। তাই এদের ক্ষেত্রে বিশেষ যত্ন দরকার হয়। জন্মের পর শিশুর শরীরের তাপমাত্রা কমে যেতে পারে। তাই জন্মের পরপর শিশুকে সব সময় উষ্ণ রাখতে হয়। পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন হাতে শিশুকে ধরতে হবে এবং শিশুর পরিধেয় কাপড়চোপড় পরিষ্কার রাখতে হবে, নয়তো সংক্রমণের ভয় রয়েছে। শ্বাস নিতে সমস্যা হলে সঙ্গে সঙ্গে মুখের ভেতরের লালা ও নাকের সর্দি পরিষ্কার করে দিতে হবে।
শিশুর ওজন খুব কম হলে জন্মের পর হাসপাতালে ভর্তি রেখে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে রাখতে হবে। সঠিক পুষ্টির জন্য মায়ের দুধের পাশাপাশি নাকে নল দিয়ে খাবার দিতে হতে পারে। শিশুর তাপমাত্রা কমে গেলে তাকে ইনকিউবেটরে রাখতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের আগে ভূমিষ্ঠ শিশুর ফুসফুস ও অন্যান্য অঙ্গ পরিণত থাকে না বলে শ্বাসকষ্ট হয়। অবস্থা খুব খারাপ হলে এনআইসিইউতে ভর্তি করে চিকিৎসা দিতে হতে পারে।
যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে এখানে ক্লিক করুন। এবং আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন ফেইজবুক পেইজে এখানে ক্লিক করে।
Durba TV academic Website