SSC পদার্থবিজ্ঞান:সৃজনশীল অনুধাবনমূলক প্রশ্নের উত্তর (PDF ফ্রি)
অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন ॥ ১ ॥ স্কেলিটাল যোজক টিস্যু বলতে কী বোঝায়?
উত্তর : দেহের অভ্যন্তরীণ কাঠামো গঠনকারী টিস্যুকে স্কেলিটাল যোজক টিস্যু বলে।
এর মাধ্যমে দেহের অভ্যন্তরীণ কাঠামো গঠন করে। দেহকে নির্দিষ্ট আকৃতি ও দৃঢ়তা দেয়। অঙ্গ সঞ্চালন ও চলনে সহায়তা করে। দেহের নাজুক ও নরম অঙ্গগুলোকে রক্ষা করে।
প্রশ্ন ॥ ২ ॥ ট্রাকিড কোষের গঠন লেখ।
উত্তর : ট্রাকিড কোষ লম্বা। এর দুপ্রান্ত সরু ও সুচালো। প্রাচীরে লিগনিন জমে পুরু হয়ে অভ্যন্তরীণ গহ্বর বন্ধ হয়ে যায়। ফলে পানির চলাচল পার্শ্বীয় জোড়া কূপের মাধ্যমে হয়।
এর প্রাচীরের পুরুত্ব অনেক রকম হয়, যেমন : বলয়াকার, সর্পিলাকার, সোপানাকার, জালিকাকার ও কূপাঙ্কিত। ফার্ন বর্গ, নগ্নবীজী ও আবৃতবীজী উদ্ভিদের প্রাথমিক ও গৌণ জাইলেম কলায় ট্রাকিড দেখা যায়। কোষরসের পরিবহন অঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদান প্রধান কাজ। তবে কখনো খাদ্য সঞ্চয়ের কাজও এ টিস্যু করে থাকে।
প্রশ্ন ॥ ৩ ॥ নিউক্লিয়াস কয়টি অংশ নিয়ে গঠিত ও কী কী?
উত্তর : নিউক্লিয়াস চারটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা : র) নিউক্লিয়াস রর) নিউক্লিওপ্লাজম ররর) নিউক্লিয়ার ঝিল্লী ও রা) ক্রোমাটিন ও জালিকা।
- উত্তর ডাউনলোড করুন> SSC পদার্থবিজ্ঞান:সৃজনশীল জ্ঞানমূলক প্রশ্নের উত্তর (PDF ফ্রি)
- উত্তর ডাউনলোড করুন> SSC পদার্থবিজ্ঞান:সৃজনশীল সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তর (PDF ফ্রি)
- উত্তর ডাউনলোড করুন> SSC পদার্থবিজ্ঞান:সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর (PDF ফ্রি)
- উত্তর ডাউনলোড করুন> SSC পদার্থবিজ্ঞান:দ্বিতীয় অধ্যায় উত্তরসহ MCQ (PDF ফ্রি)
- উত্তর ডাউনলোড করুন> SSC পদার্থবিজ্ঞান:দ্বিতীয় অধ্যায় MCQ উত্তরসহ(PDF ফ্রি)
- উত্তর ডাউনলোড করুন> SSC:পদার্থবিজ্ঞান জীবকোষ ও টিস্যু‘র গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি
- উত্তর ডাউনলোড করুন> (ফ্রি PDF)SSC:জীবন পাঠের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তরসহ
- উত্তর ডাউনলোড করুন> SSC:জীবন পাঠের MCQ উত্তরসহ (ফ্রি PDF)
প্রশ্ন ॥ ৪ ॥ উদ্ভিদ ও প্রাণিকোষের পার্থক্যগুলো উল্লেখ কর।
উত্তর : উদ্ভিদ ও প্রাণিকোষের মধ্যে পার্থক্যগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো :
উদ্ভিদকোষ প্রাণিকোষ
র) প্লাজমা আবরণীর বাইরে সেলুলোজের তৈরি জড় কোষপ্রাচীর থাকে। র) প্লাজমা আবরণী থাকে, কোষপ্রাচীর থাকে না।
রর) সাধারণত প্লাস্টিড থাকে। রর) প্লাস্টিড থাকে না।
ররর) বড় গহ্বর থাকে। ররর) গহ্বর থাকে না, থাকলে আকারে অত্যন্ত ছোট হয়।
রা) উদ্ভিদকোষে শর্করা থাকে। রা) প্রাণিকোষে শর্করা গ্লাইকোজেনরূপে মজুদ থাকে।
া) সেন্ট্রোসোম থাকে না। া) সবসময় সেন্ট্রোসোম থাকে।
প্রশ্ন ॥ ৫ ॥ একটি ক্রোমোসোমের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন কর ও কাজ উল্লেখ কর।
উত্তর : একটি ক্রোমোসোমের চিহ্নিত চিত্র নিম্নরূপ :
ক্রোমোসোমের কাজ : ক্রোমোসোম জিন বহন করে। জিন প্রতিটি জীবের প্রজাতির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটায়। তাই ক্রোমোসোম বংশগতির বাহক হিসেবে পিতামাতার বৈশিষ্ট্য সন্তানদের মধ্যে বয়ে নিয়ে যায়।
প্রশ্ন ॥ ৬ ॥ কোষ কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ লেখ।
উত্তর : নিউক্লিয়াসের গঠনের ওপর ভিত্তি করে কোষ দুই প্রকার।
১. আদি কোষ বা প্রোক্যারিওটিক কোষ। যেমন : ব্যাকটেরিয়া।
২. প্রকৃত কোষ বা ইউক্যারিওটি কোষ। যেমন : অ্যামিবা।
প্রশ্ন ॥ ৭ ॥ প্রকৃত কোষ এবং আদি কোষের পার্থক্যগুলো লেখ।
উত্তর : আদিকোষ ও প্রকৃত কোষের পার্থক্যগুলো হলো :
আদিকোষ প্রকৃতকোষ
নিউক্লিয়াস সুগঠিত নয় অর্থাৎ নিউক্লিয়াসে নিউক্লিয়ার পর্দা ও নিউক্লিওলাস থাকে না। নিউক্লিয়াস সুগঠিত, নিউক্লিয়াসে নিউক্লিয়ার পর্দা এবং নিউক্লিওলাস থাকে।
রাইবোসোম ছাড়া পর্দা ঘেরা অন্য কোনো অঙ্গাণু থাকে না। সকল প্রকার কোষ অঙ্গাণু থাকে।
উঘঅ মুক্ত অবস্থায় থাকে। উঘঅ নিউক্লিয়ার রেটিকুলামে বা ক্রোমোসোমে থাকে।
এটি সাধারণত অ্যামাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়। এটি সাধারণত মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়।
প্রশ্ন ॥ ৮ ॥ কোষে গলজি বডি ও সেন্ট্রোসোমের অবস্থান ও কাজ উল্লেখ কর।
উত্তর : গলজি বডি কোষের নিউক্লিয়াসের কাছাকাছি অবস্থান করে। লাইসোসোম তৈরি, অপ্রোটিন জাতীয় পদার্থ সংশ্লেষণ ও
কিছু এনজাইম নির্গমন করা এর কাজ।
প্রাণিকোষে নিউক্লিয়াসের বাইরে সেন্ট্রোসোম অবস্থান করে। কোষ বিভাজনের সময় স্পিন্ডল যন্ত্রের মেরু নির্দেশ করা এবং কোষ বিভাজনে সাহায্য করা এর কাজ।
প্রশ্ন ॥ ৯ ॥ একটি ক্লোরোপ্লাস্টের অন্তঃগঠন চিহ্নিত চিত্রে দেখাও :
উত্তর : চিত্র : ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রে দৃষ্ট
সরলীকৃত ক্লোরোপ্লাস্টের বিভিন্ন অংশ।
প্রশ্ন ॥ ১০ ॥ মাইটোকন্ড্রিয়ার একটি চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন কর।
উত্তর : কোষের শক্তি উৎপাদনকারী অঙ্গাণু মাইটোকন্ড্রিয়া। নিচে এটির চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করা হলো :
চিত্র : মাইটোকন্ড্রিয়া
প্রশ্ন ॥ ১১ ॥ প্রকৃত কোষের বৈশিষ্ট্য কী কী?
উত্তর : প্রকৃতকোষের বৈশিষ্ট্য হলো : ১. কোষের নিউক্লিয়াস সুগঠিত। ২. সুস্পষ্ট নিউক্লিয়ার মেমব্রেন এবং নিউক্লিওলাস থাকে। ৩. ক্রোমোসোমে প্রোটিন ও অন্যান্য উপাদান থাকে। ৪. এসব কোষে রাইবোসোম ছাড়া অন্যান্য কোষীয় অঙ্গাণু উপস্থিত থাকে।
প্রশ্ন ॥ ১২ ॥ স্টোন সেলের গঠন কেমন?
উত্তর : স্টোন সেল খাটো, সমব্যাসীয়, লম্বাটে আবার কখনও তারকাকার হতে পারে। এদের গৌণপ্রাচীর খুবই শক্ত। অত্যন্ত পুরু ও লিগনিনযুক্ত। কোষ প্রাচীর কূপযুক্ত হয়।
প্রশ্ন ॥ ১৩ ॥ স্কে¬রাইড টিস্যু কোথায় পাওয়া যায়?
উত্তর : স্কে¬রাইড টিস্যু নগ্নবীজী ও দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের কর্টেক্স, ফল ও বীজত্বকে পাওয়া যায়। এরা বহিঃত্বক জাইলেম ও ফ্লোয়েমের সাথে একত্রে পত্রবৃন্তে কোষগুচ্ছরূপে থাকতে পারে।
প্রশ্ন ॥ ১৪ ॥ কোষপ্রাচীরের কাজগুলো কী কী?
উত্তর : কোষপ্রাচীরের কাজ হলো কোষকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করা।
কোষকে দৃঢ়তা প্রদান করা। কোষের আকার ও আকৃতি বজায় রাখা। পার্শ্ববর্তী কোষের সাথে প্লাজমোডেজমাটা সৃষ্টির মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করা। পানি ও খনিজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা।
প্রশ্ন ॥ ১৫ ॥ মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বলা হয় কেন?
উত্তর : শক্তি উৎপাদনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ক্রেবস চক্রের বিক্রিয়াগুলো মাইটোকন্ড্রিয়াতে সম্পন্ন হয়।
ক্রেবস চক্রের অংশগ্রহণকারী সব উৎসেচক এতে উপস্থিত থাকায় এ বিক্রিয়াগুলো মাইটোকন্ড্রিয়াতেই সম্পন্ন হয়। ক্রেবস চক্রে সর্বাধিক শক্তি উৎপাদিত হয়। এজন্য মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র বা পাওয়ার হাউস বলা হয়।
প্রশ্ন ॥ ১৬ ॥ একটা ছকের মাধ্যমে দেখাও কীভাবে কোষ থেকে একটা পূর্ণাঙ্গ প্রাণিদেহ গঠিত হয়?
উত্তর:

প্রশ্ন ॥ ১৭ ॥ উন্নত প্রাণীদের দেহকে অঙ্গ ও তন্ত্র সচল ও কার্যক্ষম রাখে কীভাবে?
উত্তর : মানুষ ও অন্যান্য উন্নত প্রাণীদের দেহ কতগুলো নির্দিষ্ট তন্ত্রের সমন্বয়ে গঠিত।
বিভিন্ন তন্ত্রের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার মাধ্যমেই মানুষের এবং প্রাণিদেহের স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় কার্যকলাপ সম্পাদিত হয়। সকল উন্নত প্রাণীর ক্ষেত্রে স্নায়ুতন্ত্র এবং অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিতন্ত্র সম্মিলিতভাবে সকল অঙ্গের অর্থাৎ সকল তন্ত্রের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে দেহকে সচল ও কার্যক্ষম রাখে।
প্রশ্ন ॥ ১৮ ॥ অঙ্গ ও তন্ত্রের পার্থক্য উদাহরণসহ উল্লেখ কর।
উত্তর : অঙ্গ ও তন্ত্রের পার্থক্য উল্লেখ করা হলো :
অঙ্গ তন্ত্র
১. এক বা একাধিক কলা বা টিস্যুর সমন্বয়ে গঠিত এবং প্রাণিদেহে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে সক্ষম অংশবিশেষকে অঙ্গ বলে। ১. একাধিক সংশ্লিষ্ট অঙ্গের সমন্বয়ে তন্ত্র গঠিত হয়। প্রতিটি তন্ত্র পৃথক পৃথকভাবে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করে থাকে।
২. উদাহরণ : চক্ষু, কর্ণ, পাকস্থলি, হৃৎপিণ্ড, যকৃৎ, বৃক্ক, শুক্রাশয়, ডিম্বাশয় ইত্যাদি। ২. উদাহরণ : পরিপাকতন্ত্র, রক্তসংবহন তন্ত্র, রেচনতন্ত্র, প্রজননতন্ত্র, স্নায়ুতন্ত্র ইত্যাদি।
প্রশ্ন ॥ ১৯ ॥ ট্রাকিড ও ভেসেলের পার্থক্য কী কী?
উত্তর : ট্রাকিড ও ভেসেলের পার্থক্যগুলো হলো :
ট্রাকিড ভেসেল
১. ট্রাকিড একটিমাত্র কোষ থেকে উৎপন্ন হয় ১. ভেসেল অনেকগুলো কোষ থেকে উৎপন্ন হয়
২. কোষগুলোর উভয়প্রান্ত সরু। ২. কোষগুলো নলাকার
৩. কোষগুলোর প্রান্ত প্রাচীর বর্তমান। ৩. কোষগুলোর প্রান্ত প্রাচীর অবলুপ্ত হয়ে নলের আকার ধারণ করে।
প্রশ্ন ॥ ২০ ॥ স্কে¬রাইড ও স্কে¬রেনকাইমা তন্তুর পার্থক্য লেখ।
উত্তর : স্কে¬রাইড ও স্কেরেনকাইমা তন্তুর পার্থক্য নিম্নরূপ :
স্কে¬রাইড স্কে¬রেনকাইমা
১. কোষগুলো খাটো, ডিম্বাকার, তারকাকার।
২. কোষগুলো ছড়ানো থাকে।
৩. নির্দিষ্ট কিছু উদ্ভিদের ফলের শাসে এবং বীজত্বকে এই টিস্যু বর্তমান। ১. কোষগুলো দীর্ঘ এবং দুই প্রান্ত সুঁচালো।
২. কোষগুলো পরস্পর দৃঢ়ভাবে যুক্ত থাকে।
৩. উদ্ভিদের প্রায় বেশির ভাগ অংশেই এই টিস্যু বর্তমান।
প্রশ্ন ॥ ২১ ॥ পার্থক্য লেখ : জাইলেম ও ফ্লোয়েম।
উত্তর : জাইলেম ও ফ্লোয়েমের পার্থক্য হলো :
জাইলেম ফ্লোয়েম
১. এর প্রধান উপাদান- ট্রাকিড ও ভেসেল-এরা মৃত।
২. এর মাধ্যমে মূলরোম দ্বারা শোষিত পানি ও খনিজ লবণ পাতায় পৌঁছায়
৩. এর মাধ্যমে শুধু ঊর্ধ্বমুখী সংবহন হয় ১. এর প্রধান উপাদান- সিভনল ও সঙ্গীকোষ- এরা সজীব।
২. এর মাধ্যমে পাতায় উৎপন্ন খাদ্যরস সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ে।
৩. এর মাধ্যমে নিম্নমুখী অথবা উভয়মুখী সংবহন হয়।
প্রশ্ন ॥ ২২ ॥ টিস্যু বলতে কী বোঝায়?
উত্তর : নির্দিষ্ট ভ্রƒণীয় স্তর থেকে উৎপন্ন সম বা অসম আকৃতির কতগুলো কোষ যখন সম্মিলিতভাবে প্রায় একই কাজ করে তখন সেই সমষ্টিগত কোষকে একত্রে টিস্যু বলা হয়।
প্রশ্ন ॥ ২৩ ॥ কঙ্কাল যোজক টিস্যুর কাজগুলো লেখ।
উত্তর : কঙ্কাল যোজক টিস্যুর কাজগুলো হলো : ১. দেহের গঠন বৈচিত্র্যের জন্য স্কেলিটাল টিস্যু দেহের কাঠামো তৈরি করে।
২. পেশি সংযোগের জন্য ক্ষেত্র তৈরি করে। ৩. দেহের নরম অঙ্গগুলোকে সুরক্ষিত রাখে যেমন : খুলির অস্থি মস্তককে এবং পিঞ্জর অস্থিগুলো ফুসফুস ও হৃৎপিণ্ডকে আবদ্ধ রাখে। ৪. মজ্জাকে আবৃত রাখে।
প্রশ্ন ॥ ২৪ ॥ হৃদপেশি তন্তুর গঠনগত বৈশিষ্ট্য লেখ।
উত্তর : হৃদপেশির তন্তুগুলো পরস্পর অনিয়মিতভাবে যুক্ত থেকে জালের মতো গঠনের সৃষ্টি করে।
কোষগুলোর সংযোগস্থলে কোষপর্দা ঘন সন্নিবিষ্ট হয়ে এক বিশেষ অনুপ্রস্থ রেখা সৃষ্টি করে। একে ইন্টারক্যালাটেড ডিস্ক বলে। এ ডিস্ক হৃৎপেশির অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
প্রশ্ন ॥ ২৫ ॥ ফুল ও ফল রঙিন হয় কেন?
উত্তর : ক্রোমোপ্লাস্টের কারণে ফুল ও ফল রঙিন হয়।
ফুল ও ফল রঙিন প্লাস্টিড তবে এরা সবুজ নয়। এসব প্লাস্টিড জ্যান্থফিল,
ক্যারোটিন, ফাইকোইরিথ্রিন, ফাইকোসায়ানিন ইত্যাদি বর্ণের কণিকা ধারণ করে তাই কোনোটিকে হলুদ, কোনোটিকে নীল আবার কোনোটিকে লাল দেখায়। এদের মিশ্রণজনিত কারণে ফুল, ফল ও উদ্ভিদের অন্যান্য অংশ আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।
প্রশ্ন ॥ ২৬ ॥ নিউক্লিয়াস কয়টি অংশ নিয়ে গঠিত এবং এগুলো কী কী?
উত্তর : নিউক্লিয়াস চারটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা : ১. নিউক্লিয়ার ঝিল্লি, ২. নিউক্লিওপ্লাজম, ৩. নিউক্লিওলাস, ৪. ক্রোমাটিন জালিকা।
প্রশ্ন ॥ ২৭ ॥ ভেসেল কোষের গঠন লেখ।
উত্তর : ভেসেল কোষগুলো খাটো চোঙের ন্যায়। কোষগুলো একটির মাথায় একটি সজ্জিত হয়ে এবং প্রান্তীয় প্রাচীর গলে একটি দীর্ঘ নলের ন্যায় অঙ্গের সৃষ্টি করে।
এর ফলে কোষরসের ঊর্ধ্বারোহণের জন্য একটি সরু পথ সৃষ্টি হয়ে যায়। প্রাথমিক অবস্থায় এ কোষগুলো প্রোটোপ্লাজমপূর্ণ থাকলেও পরিণত বয়সে এরা মৃত ও প্রোটোপ্লাজমবিহীন।
প্রশ্ন ॥ ২৮ ॥ উড ফাইবারের অবস্থান ও কাজ লেখ।
উত্তর : অবস্থান : দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের সব জাইলেমে উড ফাইবার অর্থাৎ জাইলেম ফাইবার অবস্থান করে।
উড ফাইবারের কাজ হলো : ১. পানি ও খনিজ পদার্থ পরিবহন, ২. খাদ্য সঞ্চয়, ৩. উদ্ভিদকে যান্ত্রিক শক্তি প্রদান, ৪. উদ্ভিদকে দৃঢ়তা প্রদান।
প্রশ্ন ॥ ২৯ ॥ বাস্ট ফাইবারের গঠন লেখ।
উত্তর : এরা অত্যন্ত দীর্ঘ, পুরু প্রাচীরযুক্ত, শক্ত এবং দুই প্রান্ত সরু। তবে কখনো ভোঁতা হতে পারে। প্রাচীরের গায়ে ছিদ্র থাকে। এ ছিদ্রকে কূপ বলে। এগুলো এক প্রকার দীর্ঘ কোষ যাদের প্রান্তদেশ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।
প্রশ্ন ॥ ৩০ ॥ লোহিত কণিকা কী কাজ করে?
উত্তর : লোহিত কণিকার হিমোগ্লোবিনের সাথে অক্সিজেন যুক্ত হয়ে অক্সি হিমোগ্লোবিন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের সাথে যুক্ত হয়ে
কার্বোঅ্যামিনো হিমোগ্লোবিন গঠন করে যথাক্রমে অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড পরিবহন করে। এভাবে লোহিত কণিকা দেহের বিভিন্ন স্থানে অক্সিজেনের জোগান দেয় এবং দেহের কার্বন ডাইঅক্সাইডকে ফুসফুসে নিয়ে দেহের বাইরে বের করে দেয়।
- উত্তর ডাউনলোড করুন> SSC:জীবন পাঠের MCQ উত্তরসহ (ফ্রি PDF)
- উত্তর ডাউনলোড করুন> SSC:জীবন পাঠের বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর (ফ্রি PDF)
- উত্তর ডাউনলোড করুন> SSC:বই পড়া: জ্ঞান ও অনুধাবনমুলক প্রশ্নসহ উত্তর (ফ্রি PDF)
- উত্তর ডাউনলোড করুন> SSC:বই পড়া প্রমথ চৌধুরী গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর (ফ্রি PDF)
- উত্তর ডাউনলোড করুন> SSC:দেনাপাওনা গল্পের বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর (ফ্রি PDF)
- উত্তর ডাউনলোড করুন>SSC:দেনাপাওনা গল্পের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর (ফ্রি PDF)
প্রশ্ন ॥ ৩১ ॥ একটি উদ্ভিদ বা প্রাণিদেহে অঙ্গ ও অঙ্গতন্ত্রের পার্থক্য নির্ণয় কর।
উত্তর : যখন কয়েক ধরনের টিস্যু একসাথে একটি সাধারণ কাজ করে সেই টিস্যু সমষ্টিকে অঙ্গ বলে।
যেমন : পেশি, রক্ত ও ত্বক টিস্যু একসাথে পাকস্থলি গঠন করে যা একটি অঙ্গ। উদ্ভিদের অঙ্গগুলো যেমন : মূল, কাণ্ড, ফুল অনেকগুলো টিস্যুর সমন্বয়ে গঠিত।
আবার কয়েক রকমের অঙ্গ এক সাথে কাজ করে একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করার জন্য। এ রকম একগুচ্ছ অঙ্গকে তন্ত্র বলে। যেমন : আমাদের শ্বাসতন্ত্রÑ নাক, শ্বাসনালি এবং ফুসফুস অঙ্গ নিয়ে গঠিত। উদ্ভিদের ক্ষেত্রে পরিবহনতন্ত্র একটি উদাহরণ।
যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে এখানে ক্লিক করুন এবং আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন ফেইজবুক পেইজে এখানে ক্লিক করে।
Durba TV academic Website