শারীরিক ও মানসিক রোগের চিকিৎসায় সমাধান! ও শারীরিক ও মানসিক রোগের চিকিৎসায় সমাধান! কি সেই সম্পর্কে জানা দরকার। শরীর ও মন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শরীর ভালো থাকলে মন ভালো থাকে, আর মন ভালো থাকলে শরীরও ভালো থাকে। প্রবাদ আছে, ‘Sound health, sound mind’। মন ভালো না থাকলে শরীর ভালো থাকে না এবং শরীর ভালো না থাকলে মনও ভালো থাকে না। প্রতি মুহূর্তে পারিপার্শ্বিক অবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মানসিক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় যেমন উদ্বেগ (anxiety) এবং বিষণ্নতা (Depression); এটা স্বাভাবিক এবং প্রকৃতির নিয়ম। শারীরিক ও মানসিক রোগের চিকিৎসায় সমাধান! সম্পর্কে আজকের আলোচনা।
শারীরিক ও মানসিক রোগ কি
শারীরিক ও মানসিক রোগ কি। ধরুন, ঘূর্ণিঝড় ধেঁয়ে আসছে, আপনি কি উদ্বিগ্ন হবেন না? আবার ধরুন কেউ দীর্ঘদিন ধরে দুরারোগ্য ব্যাধিতে ভুগছে, তার মধ্যে কি হতাশা বা বিষণ্নতা আসবে না? এটাই নিয়ম। উদ্বেগ এবং বিষণ্নতা যদি সৃষ্ট অবস্থার নিরিখে অধিকতর হয় এবং সেটি যদি ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও কর্মক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করে তখন তাকে মানসিক রোগ হিসাবে ধরা হয়।
- আরো পড়ুন: হার্নিয়ার চিকিৎসা নিতে দেরি করবেন না
- আরো পড়ুন: নাকে কত প্রকার অপারেশন হয়
- আরো পড়ুন: ফুসফুস পরিষ্কার রাখার ৬ উপায়
ছোট ছোট মানসিক রোগগুলোকে ধরলে শতকরা ২৫ জন লোকই মানসিক রোগী। সাধারণ মেডিকেল ওয়ার্ডে প্রায় ২০ শতাংশ রোগীর মধ্যে প্রলাপ বা বিকাররোগ (Delirium or acute confusional state) দেখা যায়। শারীরিক রোগ যেমন মানসিক রোগের উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে, মানসিক রোগও তেমনি শারীরিক রোগের উপসর্গ তৈরি করতে পারে এবং শারীরিক রোগের চিকিৎসায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে।
শারীরিক ও মানসিক রোগের লক্ষণ
কিছু কিছু শারীরিক ও মানসিক রোগ উদ্বেগ-এর লক্ষণ নিয়ে চিকিৎসকের কাছে আসতে পারে, যেমন থাইরয়েড গ্রন্থির বেশি কার্যকারিতা, রক্তের শর্করা কমে গেলে উদ্বিগ্নতার উপসর্গ বুক ধরফড় করা, শরীর কাঁপা, ঘাম ইত্যাদি নিয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়। অন্যদিকে থাইরয়েড গ্রন্থির কম কার্যকারিতা এবং এড্রেনাল গ্রন্থির বেশি কার্যকারিতা অবসাদ বা বিষণ্নতার উপসর্গ দেখা দেয়। থাইরয়েড গ্রন্থির কম কার্যকারিতার ফলে স্মৃতি অংশ (Dementia) রোগ নিয়ে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ বা স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে পারে।
- আরো পড়ুন: ধুলাবালি থেকে হাঁপানি যা করনীয়
- আরো পড়ুন: দাঁত ক্ষয় ঠেকাতে যা করবেন
- আরো পড়ুন: ব্রেইন স্ট্রোক বুঝবেন যে ৫ লক্ষণে
দীর্ঘদিন যদি কেহ দুরারোগ্য রোগে ভোগে, তাহলে তার বিষণ্নতা দেখা দেয়। শারীরিক রোগের চিকিৎসার ওষুধের কারণেও মানসিক রোগের উপসর্গ সৃষ্টি হতে পারে। পারকিন্সনিজম রোগের ওষুধ L-dopa মানসিক বিকার (Delirium) সৃষ্টি করতে পারে। মানসিক রোগও শারীরিক রোগের উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে যেমন সারা শরীরে ব্যথা নিয়ে বিষণ্নতা রোগের রোগী বিভিন্ন চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারে; এটা মানসিক রোগের (Somatisation disorder) কারণেও হতে পারে।
শারীরিক ও মানসিক রোগের চিকিৎসার সমাধান
শারীরিক ও মানসিক রোগ অনেক সময় শারীরিক রোগের চিকিৎসায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে, যেমন মারাত্মক বিষণ্নতার রোগীরা ঠিকমতো ওষুধ খেতে পারে না বা খেতে চায় না। এদের ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের চিকিৎসা করা কঠিন কাজ। মানসিক ও শারীরিক রোগের সমন্বিত চিকিৎসার প্রয়োজন এবং এ জন্য সুনির্দিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।
যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে এখানে ক্লিক করুন এবং আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন ফেইজবুক পেইজে এখানে ক্লিক করে।
Durba TV academic Website