জেনে নিন ওরাল থ্রাস থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় সম্পর্কে। আসুন এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক। ওরাল থ্রাস হচ্ছে মুখে এক ধরনের ছত্রাকের সংক্রমণ, যা প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুদের উভয়েরই হয়ে থাকে। এটি হলে অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়তে হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শরীরের পিএইচ ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ফলে ঘটে থাকে এটি।
ওরাল থ্রাস হলে বেশিরভাগ সময়ই ওষুধ দিয়ে চিকিত্সা করা হয়। কিন্তু এ সমস্যা সমাধানে বেশ কিছু নির্দিষ্ট ঘরোয়া প্রতিকারও আছে।
- আরো পড়ুন: মাড়ির রোগ থেকে হতে পারে অ্যালজাইমারস
- আরো পড়ুন: মানসিক চাপ থেকে বাঁচার ৬ উপায়
- আরো পড়ুন: অতিরিক্ত ঘুমে হতে পারে যেসব রোগ
ওরাল থ্রাস থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়
১. অ্যাপল সিডার ভিনেগার
আপেল সিডার ভিনেগারের অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তাই প্রতিদিন ব্যবহার করলে এটি ওরাল থ্রাস দ্বারা সৃষ্ট ছত্রাক সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। এর জন্য এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে ১ টেবিল চামিচ আপেল সিডার ভিনেগার যোগ করে পান করুন। এর স্বাদ আরো বাড়িয়ে নিতে সামান্য মধু যোগ করতে পারেন। এটি দিনে ২ বার করলেই পাবেন উপকার।
২. নারিকেল তেল
নারিকেল তেলে অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য থাকায় এটি খামির ছত্রাক দূর করতে সহায়তা করে। এ কারণে এটি ওরাল থ্রাস প্রতিকারে অনেক কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এ জন্য প্রতিদিন সকালে খালি পেটে নারিকেল তেল মুখে নিয়ে ১০-১৫ মিনিটের জন্য রেখে দিন। পরে থুতু ফেলে বা কুলি করে ফেলে দিন। সকালে এটি করলেই ওরাল থ্রাসে উপকার পারেন।
৩. দই
দই আমাদের শরীরের প্রোবায়োটিকের উৎপাদন বাড়ায়। আর এই প্রোবায়োটিকগুলো ছত্রাকের সংক্রমণ দূর করতে পারে। তাই এটিও আপনার ওরাল থ্রাসের সমস্যা দূর করতে অনেক ভালো ভূমিকা রাখতে পারে। এর জন্য মুখে এক টেবিল চামিচ পরিমাণ দই নিয়ে গিলে না ফেলে ৫ মিনিটের জন্য রেখে দিন। এতেই মিলবে উপকার। আর এটি আপনি দিনে তিনবার করতে পারেন।
৪. বেকিং সোডা
বেকিং সোডা বা সোডিয়াম বাইকার্বোনেট আপনার ওরাল থ্রাসের ছত্রাকগুলোকে মেরে ফেলতে পারে। এর জন্য এক গ্লাস পরিমাণ পানিতে এক টেবিল চামিচ বেকিং সোডা মিশিয়ে নিয়ে কুলি করুন। আপনার ওরাল থ্রাস ভালো না হওয়া পর্যন্ত এটি দিনে ২-৩ বার করতে পারেন।
- আরো পড়ুন: যেসব খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমায়
- আরো পড়ুন: অতিরিক্ত ঘুমে হতে পারে যেসব রোগ
- আরো পড়ুন: রসুনের ৬ অসাধারণ উপকার
৫. রসুন
রসুনে অ্যালিসিন নামের একটি উপাদানের পাশাপাশি শক্তিশালী অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টিভাইরাল এবং অ্যান্টিবায়োটিক বৈশিষ্ট্য আছে। এ কারণে এটি ওরাল থ্রাসের উপসর্গগুলোর চিকিৎসায় সাহায্য করতে পারে। এর জন্য কাঁচারসুনের একটি কোয়া নিয়ে ২-৩ মিনিটের জন্য চিবিয়ে গিলে ফেলুন। এটি দিনে ৩ বার করতে পারলেই পাবেন উপকার।
৬. লেবুর রস
লেবু অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট দ্বারা পরিপূর্ণ। তাই এটি ওরাল থ্রাসের চিকিৎসায় সাহায্য করতে পারে। এর জন্য এক গ্লাস পানিতে অর্ধেক লেবু ছেঁকে নিয়ে পান করুন। বাড়তি স্বাদের জন্য মধু যোগ করতে পারেন। এটি দিনে ২/৩ বার করলেই পাবেন উপকার।
যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে এখানে ক্লিক করুন এবং আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন ফেইজবুক পেইজে এখানে ক্লিক করে।
Durba TV academic Website