রাবি প্রতিনিধিঃ মহামারি করোনায় দীর্ঘ ১৯ মাস শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পর খুলে দেওয়া হয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আবাসিক হল গুলো।
রবিবার সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু হলে ফুল, স্যানিটাইজ, মাস্ক ও চকলেট খাইয়ে ছাত্রদের বরণ করে নেয় হল প্রশাসন। পরে উৎসব মুখর পরিবেশে নিজ নিজ হলে উঠতে শুরু করে আবাসিক শিক্ষার্থীরা । হলে ঢোকার সময় নিজেদের পরিচয় পত্র ও কোভিড ১৯ ভাকসিনের টিকা কার্ড, অন্তত এক ডোজ টিকা নেওয়ার শর্তে হলে ঢুকতে দেওয়া হয়।
- আরো পড়ুন: গণিতে ভালো করার সহজতর কৌশল
- আরো পড়ুন: এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সময় জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
- আরো পড়ুন: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী
এর আগে সকাল সাড়ে ৯ টায় মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার ছাত্র শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে ছাত্রদের বরন করে নেন রাবি উপাচার্য।
তিনি বলেন, আমাদের কাছে বরাদ্দকৃত যে ২০ হাজার টিকা আছে সেটা দিয়ে সকল শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনতে সক্ষম হবো। তাছাড়া শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য আইসোলেশন সহ স্বাস্থ্যবিধির কথা মাথায় রেখে হাত ধোঁয়ার জন্য প্রতিটি হলের ফটকে বসানো হয়েছে বেসিন। এবং হলের যাবতীয় সংস্কারের কাজ প্রায় শেষের দিকে। বাকি কাজগুলো অতি দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন করোনা মহামারীর কারণে শিক্ষার্থীদের যে সেশনজট তৈরি হয়েছে একাডেমিক কাউন্সিলের সাথে আলোচনা করে অতি দ্রুত তা পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের খালেদা জিয়া হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক সৈয়দা নুসরাত জাহান বলেন, আজকে আমাদের আনন্দের দিন। দেড় বছর পর আমরা হল খুলে দিতে পেরেছি।যেহেতু করোনা ভাইরাস এখনো নিঃশেষ হয় যাইনি এজন্য শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রতি সর্বোচ্চ নজর রাখা হবে। শিক্ষার্থীরাও স্বাস্থবিধি মেনে হলে প্রবেশ করছে। শিক্ষার্থীদের আইডি কার্ড, টিকা কার্ড দেখে তাদের আমরা বরণ করে নিচ্ছি।
- আরো পড়ুন:বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি
- আরো পড়ুন: বাতিল করা হলো পিইসি ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা
- আরো পড়ুন:বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে স-শরীরে পরীক্ষা স্থগিত
শিক্ষার্থীদের যেকোনো সহায়তা দিতে আমরা প্রস্তুত রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল আহাদ বলেন, দীর্ঘ বিরতির পরে আজ হলে উঠতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। করোনাকালে বাড়িতে থেকে আমরা হীনমন্যতায় ভুগছিলাম। পড়াশোনা থেমে ছিল। এখন হলে থেকে আমরা আবার পড়ালেখা শুরু করতে পারব । আমাদের যে ১৮ মাসের সেশন জট হয়েছে তা কমিয়ে আনতে প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যেই ভ্যাক্সিনের ব্যবস্থা করাতে প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে হলে আগত বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের আবাসিক শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান তন্নী বলেন, দেড় বছর পর হল খুলে দেয়ায় আমরা খুব আনন্দিত। সাথে পরিচিত মুখ দেখে আরো ভালো লাগছে। এই দিনটার জন্যই অপেক্ষা করছিলাম, ধন্যবাদ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে।
যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে এখানে ক্লিক করুন। এবং আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন ফেইজবুক পেইজে এখানে ক্লিক করে।
Durba TV academic Website