SSC:বই পড়া প্রমথ চৌধুরী গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর (ফ্রি PDF)

SSC:বই পড়া প্রমথ চৌধুরী গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর (ফ্রি PDF)

সৃজনশীল প্রশ্ন
জাতীয় জীবনধারা গঙ্গা-যমুনার মতোই দুই ধারায় প্রবাহিত। এক ধারার নাম আত্মরক্ষা বা স্বার্থপ্রসার, আরেক ধারার নাম আত্মপ্রকাশ বা পরমার্থ বৃদ্ধি।

একদিকে যুদ্ধবিগ্রহ, মামলা-ফ্যাসাদ প্রভৃতি কদর্য দিক, অপরদিকে সাহিত্য, শিল্প, ধর্ম প্রভৃতি কল্যাণপ্রদ দিক। একদিকে শুধু কাজের জন্য কাজ। অপরদিকে আনন্দের জন্য কাজ।

একদিকে সংগ্রহ, আরেক দিকে সৃষ্টি। যে জাতি দ্বিতীয় দিকটির প্রতি উদাসীন থেকে শুধু প্রথম দিকটির সাধনা করে, সে জাতি কখনও উঁচু জীবনের অধিকারী হতে পারে না।

ক. ‘ভাঁড় ও ভবানী’ অর্থ কী?
খ. অন্তর্নিহিত শক্তি বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

গ. উদ্দীপকে বর্ণিত প্রথম দিকটি ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের যে দিকটিকে ইঙ্গিত করে তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে পরমার্থ বৃদ্ধির প্রতি যে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের লেখকের মতকে সমর্থন করে Ñ মন্তব্যটির বিচার করো।

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর (ক)
‘ভাঁড় ও ভবানী’ অর্থ রিক্ত বা শূন্য।

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর (খ)
 ‘অন্তনির্হিত শক্তি’ বলতে ভেতরের বা অভ্যন্তরীণ শক্তিকে বোঝায়। এটি হচ্ছে নিজের মনকে গড়ে তোলার শক্তি।
 প্রতিটি মানুষের মাঝেই নিহিত রয়েছে সুপ্ত শক্তি। প্রকৃত শিক্ষার ছোঁয়ায় তা জাগ্রত হয়। স্বশিক্ষিত ব্যক্তিরা নিজের ভেতরের এই শক্তিকে আবিষ্কার করতে পারেন। এই শক্তিই অন্তর্নিহিত শক্তি, যা মানুষের মানসিক শক্তির পরিচায়ক।

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর(গ)
 উদ্দীপকে বর্ণিত প্রথম দিকটি ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে অর্থ উপার্জনের নিমিত্তে বিদ্যাচর্চার দিকটিকে ইঙ্গিত করে।
 ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের লেখক প্রমথ চৌধুরী স্বেচ্ছায় বই পড়ার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

আমাদের সমাজব্যবস্থা আমাদের সেই সুযোগটি দেয় না। অর্থ উপার্জনের চিন্তায় আমরা সবাই মশগুল। তাই যে বই পড়লে পেশাগত উপকার হবে বলে আমরা ভাবি, শুধু সেই বই-ই পড়ি। এভাবে বই পড়াতে নেই কোনো আনন্দ। আর এই চর্চার ফলে জাতি হিসেবে আমরা হয়ে উঠছি অন্তঃসারশূন্য।

 উদ্দীপকে বলা হয়েছে, জাতীয় জীবনধারা গঙ্গা-যমুনার মতোই দুই ধারায় প্রবাহিত। একটি আত্মরক্ষা বা স্বার্থ প্রসার অন্যটি আত্মপ্রকাশ বা পরমার্থ বৃদ্ধি।

একটি কদর্য আর আরেকটি কল্যাণের দিক। একদিকে কাজের জন্য কাজ, অন্যদিকে আনন্দের জন্য কাজ। ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে বর্ণিত অর্থ উপার্জনের জন্য বই পড়ার প্রবণতার মিল রয়েছে উদ্দীপকের বক্তব্যের সঙ্গে।

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর (ঘ)
 ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের লেখক সৃজনশীল সাহিত্যচর্চার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেছেন, যা উদ্দীপকে উল্লিখিত পরমার্থ অর্জনের নামান্তর।

 ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের লেখক প্রমথ চৌধুরী তাঁর প্রবন্ধে আমাদের পাঠচর্চার প্রতি অমনোযোগের সমালোচনা করেছেন। উদর পূর্তির জন্য কেবল গৎবাঁধা বই পড়ি আমরা। এ কারণেই জাতি হিসেবে আমরা নিরানন্দ ও নির্জীব হয়ে পড়েছি।

মনের শক্তিকে আবিষ্কারের জন্য আমাদের প্রয়োজন স্বেচ্ছায় স্বচ্ছন্দচিত্তে সাহিত্যচর্চা করা। নিয়মিত লাইব্রেরিতে গমনের মাধ্যমেই এটি করা সম্ভব।

 উদ্দীপকে জাতীয় জীবনধারার দুটি দিকের কথা বলা হয়েছে। একটি আত্মরক্ষা বা স্বার্থপ্রসার অন্যটি আত্মপ্রকাশ বা পরমার্থ বৃদ্ধি। এখানে উল্লিখিত পরমার্থ অর্জনই জীবনের শ্রেষ্ঠ সাধনা।

অর্থলাভের মধ্য দিয়ে শুধু আত্মরক্ষা বা স্বার্থপ্রসার জীবনের লক্ষ্য হতে পারে না। জীবনের কদর্য দিকের পরিবর্তে সাহিত্য, শিল্প, ধর্ম প্রভৃতি কল্যাণকর দিক অর্জন করা প্রয়োজন। এর মাধ্যমেই উঁচু জীবনের অধিকারী হওয়া যায়।

 জীবনে পরমার্থ অর্জনের প্রধান মাধ্যম হচ্ছে বই। ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে সে কথাই বলা হয়েছে। আমাদের শিক্ষিত শ্রেণি নিতান্ত বাধ্য না হলে বই পড়ে না। পড়ে না এতে উদরপূর্তি হয় না বলে।

পরীক্ষা পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক কথা নয়। প্রকৃত শিক্ষিত হতে হলে জীবনের পরম সত্য বা পরমার্থকে উপলব্ধি করতে হবে এবং তা অর্জন করতে হবে। শিক্ষিত হতে হলে মনের প্রসার দরকার।

এই প্রসারতার জন্যই বই পড়া আবশ্যক। এ কারণেই প্রমথ চৌধুরী স্বতঃস্ফূর্তভাবে বই পড়ার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে পরমার্থ বৃদ্ধির প্রতি যে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তা ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের লেখকের মতকে সমর্থন করে।

গুরুত্বপূর্ণ সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সৌমিকের পত্রিকার সাহিত্যের পাতাগুলোর প্রতি আগ্রহ বেশি। মামার সাথে বইমেলায় গিয়ে অবসরকালীন বিনোদনের জন্য সে কয়েকটি বই কিনে নেয়। মামা তাকে বলেন, জ্ঞানের ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করতে হলে বই পড়ার বিকল্প নেই।

সৌমিকের বই পড়ার আগ্রহ দেখে মামা তাকে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরিতে ভর্তি করে দেন।
ক. সুশিক্ষিত লোক মাত্রই কী?
খ. মনের হাসপাতাল বলতে কী বোঝায়?

গ. উদ্দীপকের মূলভাব ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের কোন দিকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘উদ্দীপকটির মূলভাব মূলত ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের মূলভাবের অংশবিশেষকে প্রস্ফুটিত করে।”Ñ বক্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর
ক. সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত।
খ. লাইব্রেরিতে স্বচ্ছন্দচিত্তে সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে আমাদের মানসিক শক্তি গড়ে ওঠে বলে ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে প্রমথ চৌধুরী লাইব্রেরিকে মনের হাসপাতাল বলেছেন।

প্রমথ চৌধুরীর মতে, কেবল উদরপূর্তি হলেই আমাদের মন ভরে না। আর মনের দাবি মেটাতে না পারলে আমাদের আত্মা বাঁচে না। মনকে সতেজ ও সরাগ রাখতে না পারলে আমাদের প্রাণ নির্জীব হয়ে পড়ে।

এ জন্যই প্রয়োজন লাইব্রেরি। লাইব্রেরিতে আমরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাহিত্যচর্চা করতে পারি। এতে আমাদের মন সুস্থ ও সতেজ থাকে। এ কারণেই লেখক লাইব্রেরিকে মনের হাসপাতাল বলেছেন।

গ. উদ্দীপকের মূলভাব ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে বর্ণিত লাইব্রেরির প্রয়োজনীয়তার দিকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত।

আর স্বশিক্ষিত হওয়ার জন্য প্রয়োজন বইপড়ার অভ্যাস বাড়ানো। বই পড়ার অভ্যাস বাড়ানোর জন্য লাইব্রেরির বিকল্প নেই। কেননা লাইব্রেরিতে পাঠক তার চাহিদা ও ইচ্ছা অনুযায়ী বিভিন্ন বই পড়তে পারে। এজন্য ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের লেখক প্রমথ চৌধুরী লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

উদ্দীপকে বই পড়ার আগ্রহ এবং তা বাস্তবায়নে লাইব্রেরির গুরুত্বই প্রধান হয়ে উঠেছে। বই পড়ার অভ্যাস বাড়ানোর জন্য লাইব্রেরিই প্রধান ভূমিকা রাখতে পারে।

লাইব্রেরিতে পছন্দের বই পড়ে একজন ব্যক্তি যথার্থ শিক্ষিত হয়ে উঠতে পারে। ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে লেখক এটিই বোঝাতে চেয়েছেন। আর প্রবন্ধের এই দিকটিই উদ্দীপকের মূলভাবে ফুটে উঠেছে।

ঘ. সাহিত্যচর্চার আবশ্যকতা বর্ণনায় ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে লেখক বিভিন্ন বিষয়ের অবতারণা করলেও উদ্দীপকে শুধু লাইব্রেরির গুরুত্বের দিকটিই প্রস্ফুটিত হয়েছে।

প্রগতিশীল জগতের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে সাহিত্যচর্চার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে ব্যক্তির আত্মিক উন্নতি ঘটে। এই অভ্যাস ব্যক্তিকে স্বশিক্ষিত করে তোলে।

তাই ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে প্রমথ চৌধুরী আমাদের পাঠচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলতে বলেছেন। পাঠচর্চার অভ্যাস গড়তে পারলেই একজন যথার্থ মানুষ হয়ে ওঠা সহজ হয়। আর এক্ষেত্রে লাইব্রেরির ভূমিকা অগ্রগণ্য।

উদ্দীপকে সৌমিককে সাহিত্যচর্চায় আগ্রহী মনোভাব পোষণ করতে দেখা গেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে লব্ধ শিক্ষা পূর্ণাঙ্গ নয় বলে ব্যাপকভাবে বই পড়া দরকার। উদ্দীপকে সৌমিক ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের লেখকের কাক্সিক্ষত পাঠচর্চার অভ্যাসকারী।

সে স্বতঃস্ফূর্তভাবে পছন্দের বই পড়তে ভালোবাসে। প্রবন্ধে লেখক সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিবন্ধকতা এবং এসব প্রতিবন্ধকতা থেকে উত্তরণের উপায় বর্ণনা করেছেন। উদ্দীপকে সেগুলোর ভেতর কেবল একটি দিকই উঠে এসেছে।

জগতের সাথে তাল মিলিয়ে উন্নত জীবন যাপন করতে হলে স্বশিক্ষিত হতে হবে। আর এজন্য দরকার বই পড়া। এই বই পড়ার চর্চার জন্য আবার প্রয়োজন লাইব্রেরি। ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে লেখক আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটি এবং বই পড়ার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করলেও উদ্দীপকে এসব আসেনি।

সেখানে শুধু বই পড়ার চর্চায় লাইব্রেরির ভূমিকার দিকটিই উঠে এসেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটির মূলভাবে মূলত ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের মূলভাবের অংশবিশেষকে প্রস্ফুটিত করে-উক্তিটি যথার্থ।

সৃজনশীল প্রশ্ন

গ্রামের ডানপিটে ও দুষ্ট ছেলেদের দেখে স্কুলের নতুন স্যার তাদের একটি পাঠাগার গড়ার পরামর্শ দিলেন। অল্পদিনের মধ্যে স্কুলের একটি অব্যবহৃত কক্ষ পাঠাগারে পরিণত হলো। নতুন স্যারের তত্ত্বাবধানে ঐসব ছেলের মাটির ব্যাংকে জমানো টাকায় পাঠাগারটি বিভিন্ন স্বাদের বইয়ে ভরে উঠল। ধীরে ধীরে ওরাসহ গ্রামের অনেকেই বই পড়ায় আগ্রহী হয়ে উঠল।

ক. প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম কী?
খ. ‘পাস করা ও শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়’Ñ বুঝিয়ে লেখো।

গ. নতুন স্যারের চেতনাবোধ ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের কোন চেতনাকে সমর্থন করে?Ñ ব্যাখ্যা করো।
ঘ. গ্রামের ছেলেদের মানসিক পরিবর্তনের দিকটি ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর
ক. প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম ‘বীরবল’।
খ. শিক্ষিত হওয়ার অর্থ আত্মশক্তি অর্জন। কেবল পাস করার মাধ্যমে সেটি সম্ভব হয় না।

শিক্ষা মানুষের মনকে গড়ে তোলে। প্রকৃত শিক্ষা আমাদের দৃষ্টি খুলে দেয়। আমরা বুঝতে পারি সঠিক ও ভুলের পার্থক্য। শুধু পাস করার জন্য যারা পড়ে তাদের মনের চোখ বন্ধই থেকে যায়। ফলে তাদের মনের অপমৃত্যু ঘটে। তাদের ভেতরটা হয় অন্তঃসারশূন্য। প্রকৃত শিক্ষিত হওয়ার সাথে পাস করা বিদ্যার এখানেই বৈপরীত্য।

গ. ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে লাইব্রেরি স্থাপনের ওপর প্রাবন্ধিক অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন। উদ্দীপকে বর্ণিত নতুন স্যারের কর্মকাণ্ডে একই চেতনা প্রকাশিত হয়েছে।

‘বই পড়া’ প্রবন্ধের রচয়িতা প্রমথ চৌধুরী তাঁর রচনায় আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার নানা ত্রুটিপূর্ণ দিক তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, স্কুল-কলেজ থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা নয়। এই শিক্ষার পূর্ণতা প্রাপ্তি হয় ব্যাপকভাবে বিভিন্ন স্বাদের বই পড়ে। আর বই পড়ার অভ্যাস তৈরি করার জন্য প্রয়োজন লাইব্রেরির।

উদ্দীপকে বর্ণিত নতুন স্যার বই পড়ার তাৎপর্য ভালোভাবেই জানেন। এ কারণেই ছাত্রদের তিনি পরামর্শ দেন পাঠাগার তথা লাইব্রেরি গড়ে তোলার জন্য। নিজেই পাঠাগার স্থাপনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

‘বই পড়া’ প্রবন্ধে প্রমথ চৌধুরী লাইব্রেরি স্থাপনের যে আহ্বান জানিয়েছেন তারই প্রতিফলন আমরা দেখতে পাই উদ্দীপকের নতুন স্যারের মধ্যে।

ঘ. লাইব্রেরিতে গিয়ে বই পড়ার মাধ্যমে মানুষের মানসিকতার ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরা হয়েছে ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে। উদ্দীপকে বর্ণিত গ্রামের ছেলেদের মধ্যে আমরা সেই প্রতিচ্ছবিই দেখতে পাই।

‘বই পড়া’ প্রবন্ধে লেখক প্রমথ চৌধুরী মত প্রকাশ করেছেন যে, বই পড়ার অভ্যাস নেই বলেই আমরা দিন দিন নির্জীব ও নিরানন্দ হয়ে পড়ছি। যথার্থ শিক্ষিত হওয়ার জন্য ব্যাপক ভিত্তিতে বই পড়ার বিকল্প নেই।

আর বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য সবচেয়ে আগে প্রয়োজন লাইব্রেরিতে যাওয়া। লাইব্রেরিতে সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে আমাদের মন সতেজ ও সরাগ হয়।

উদ্দীপকের নতুন স্যার তাঁর সুবিবেচনাপ্রসূত উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামের ছেলেদের মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছেন। গ্রামের ছেলেরা আগে নানা দুষ্টুমিতে মূল্যবান সময় নষ্ট করত।

স্কুলে লাইব্রেরি স্থাপনের পর থেকে তাদের মাঝে বই পড়ার আগ্রহ তৈরি হয়। লাইব্রেরি যে মানুষের বই পড়ার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করে তা উদ্দীপক এবং ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে।

লাইব্রেরি হলো সাহিত্যচর্চার তীর্থস্থান। এখানে মানুষ স্বচ্ছন্দচিত্তে আপন রুচি অনুসারে বই পড়তে পারে। এখানে বই পড়ার মাধ্যমে মানুষ অমৃতের সন্ধান পায়। ফলে সে সাহিত্যের রস আস্বাদনে আরো বেশি উদ্বুদ্ধ হয়।

এ কারণেই ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে লেখক বেশি বেশি লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। উদ্দীপকের নতুন স্যারও বুঝতে পেরেছেন যে সাহিত্যচর্চার আদর্শ স্থান হলো লাইব্রেরি।

তাই নিজে নেতৃত্ব দিয়ে স্কুলে একটি লাইব্রেরি স্থাপন করেছেন। সেখানে নানা স্বাদের বই পড়ে গ্রামের ছেলেদের চোখ খুলে গেছে। অবহেলায় সময় নষ্ট না করে তারা নতুন নতুন বই পড়ায় উৎসাহী হয়ে উঠেছে। লাইব্রেরিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাহিত্যচর্চার সুযোগই তাদের এই মানসিক পরিবর্তনে মূল ভূমিকা পালন করেছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন

সেলিম খান একজন বিশিষ্ট উকিল। ওকালতিতে সুনাম অর্জনের জন্য তিনি সর্বদা আইনবিষয়ক বই পড়েন। এর বাইরে তিনি কোনো বই পড়েন না এবং কেনেন না। কারণ তিনি মনে করেন, পেশাগত বই না পড়ে সাহিত্যের বই পড়লে পেশার উন্নয়ন হবে না।

ক. ‘বই পড়া’ রচনার লেখক কে?
খ. প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যচর্চাকে শিক্ষার প্রধান অঙ্গ বলেছেন কেন?

গ. উদ্দীপকের সেলিম খানের ভাবনার সঙ্গে ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের লেখকের ভাবনার বৈসাদৃশ্যের দিকটি ব্যাখ্যা করো।
ঘ. সেলিম খানের মতো অসংখ্য বাঙালির দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের জন্য কী করা প্রয়োজন বলে তুমি মনে করো? উদ্দীপক ও ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর
ক. ‘বই পড়া’ রচনার লেখক প্রমথ চৌধুরী।
খ. সাহিত্যচর্চার দ্বারা স্বশিক্ষিত হওয়া যায় বলে প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যচর্চাকে শিক্ষার প্রধান অঙ্গ বলেছেন।
ক্ষ সাধারণ অর্থে শিক্ষা বলতে আমরা কেবল প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাকেই বুঝে থাকি। এই শিক্ষার গণ্ডি অত্যন্ত সীমাবদ্ধ এবং বাধ্য হয়ে গ্রহণ করতে হয় বলে এতে কোনো আনন্দ নেই।

প্রকৃতপক্ষে শিক্ষাগ্রহণের পরিধি আরও বৃহত্তর। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরেও আরও অনেক উপায়ে মানুষ শিক্ষা লাভ করে। সাহিত্যচর্চার মাধ্যমেই সবচেয়ে স্বচ্ছন্দ ও পরিপূর্ণভাবে শিক্ষা লাভ করা যায়। সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে মানুষ আত্মশক্তিসম্পন্ন হয়ে সুশিক্ষিত হয়ে ওঠে। প্রমথ চৌধুরী এ কারণে সাহিত্যচর্চাকে শিক্ষার প্রধান অঙ্গ বলেছেন।

গ. ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের লেখক সাহ্যিচর্চার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করলেও উদ্দীপকের সেলিম খান এটিকে অপ্রয়োজনীয় মনে করেছেন।

‘বই পড়া’ প্রবন্ধের লেখক প্রমথ চৌধুরী জ্ঞানার্জনের জন্য বইপড়ার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। প্রবন্ধে লেখক পেশাগত উন্নয়নের জন্যেও সাহিত্যের বই পড়ার পক্ষে যুক্তিনিষ্ঠ বক্তব্য তুলে ধরেছেন। লেখকের ধারণা, যাদের জ্ঞানের ভাণ্ডার শূন্য, তাদের ধনের ভাণ্ডারও শূন্য। যে জাতি জ্ঞানে বড় নয়, সে জাতি মনেও বড় নয়। আর জাতিকে ধনে ও মনে বড় হতে হলে সাহিত্যের বই পড়া অপরিহার্য।

উদ্দীপকে পেশার সাথে সম্পর্কহীন বই পড়ার প্রতি অনীহা সম্পর্কে আলোচিত হয়েছে। সেলিম খান একজন বিশিষ্ট উকিল। ওকালতিতে সুনাম অর্জনের জন্য তিনি আইনবিষয়ক বই ছাড়া অন্য কোনো বই পড়েন না।

তাঁর ধারণা, সাহিত্যের বই বা অন্য কোনো বই পড়ে পেশার উন্নয়ন সম্ভব নয়। সেলিম খানের ভাবনার সঙ্গে ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে লেখকের ভাবনার বৈসাদৃশ্য হলো, একজনের সৃজনশীল বই পড়ার প্রতি অনীহা আর অন্যজনের সেটির প্রতি গুরুত্ব আরোপ।

ঘ. সেলিম খানের মতো অসংখ্য বাঙালির দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া আর তার জন্য প্রয়োজন সৃজনশীল সাহিত্যচর্চা।

‘বই পড়া’ প্রবন্ধে লেখক আমাদের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের জন্য বই পড়ার কথা বলেছেন। পেশাগত উন্নয়নের জন্যও বই পড়ার পক্ষে যৌক্তিক মন্তব্য পেশ করেছেন। লেখকের মতে, যে জাতি যত শিক্ষিত, সে জাতি তত উন্নত।

তিনি আরও বলেন, দর্শন, বিজ্ঞান প্রভৃতি সাহিত্যের ভেতরই পূর্ণরূপে প্রকাশ পায়। তাছাড়া সাহিত্যচর্চার মাধ্যমেই মানুষ প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ওঠে। আর প্রকৃত শিক্ষা মানুষের মনের দরজা উন্মুক্ত করে দেয়। মনুষ্যত্ববোধ জাগ্রত করে। ফলে তাদের দৃষ্টিভঙ্গিরও পরিবর্তন ঘটে।

উদ্দীপকে বই পড়ার প্রতি অনীহা তুলে ধরা হয়েছে। সেলিম খান একজন বিশিষ্ট উকিল। তিনি মনে করেন, ওকালতি পেশায় সুনাম অর্জনের জন্য কেবল আইনবিষয়ক বই পড়ার প্রয়োজন।

সাহিত্যের বই পড়ে কখনও পেশার উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব নয়। সেলিম খানে মতো অসংখ্য বাঙালি আনে যাঁরা মনে করেন, পেশার উন্নয়নের জন্য শুধু পেশাসংশ্লিষ্ট বই পড়লেই হয়। ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে প্রমথ চৌধুরী এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

আমাদের সমাজে এমন কিছু স্বার্থপর লোক আছে যারা নিজ পেশা নিয়ে ব্যস্ত থাকে। তাদের ধারণা, সাহিত্যচর্চা মানুষের ব্যক্তিসত্তার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটায় না। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সাহিত্যই একমাত্র বিষয়, যা পাঠের মাধ্যমে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ও চিন্তা-চেতনার পরিবর্তন ঘটে।

উদ্দীপকে বর্ণিত সেলিম খান কেবল পেশাগত বইগুলোই পড়েন। সাহিত্যচর্চায় তার আগ্রহ নেই। এ কারণে তাঁর জ্ঞানের পরিধি হবে গণ্ডিবদ্ধ। তাঁর অর্জিত শিক্ষা পূর্ণাঙ্গ রূপ লাভ করবে না। কিন্তু তিনি যদি প্রয়োজনীয় বইগুলোর বাইরে স্বচ্ছন্দচিত্তে অন্য বই পড়তেন তবেই তিনি যথার্থ শিক্ষিত হতে পারতেন।

সাহিত্যচর্চা মানুষের মনকে সতেজ ও সরাগ করে। জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে মানসিক সুস্থতা অপরিহার্য আর মনকে সুস্থ রাখার জন্য চাই সৃজনশীল সাহিত্যচর্চা।

সৃজনশীল প্রশ্ন

ধরাবাঁধা লেখাপড়ার প্রতি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো আগ্রহই ছিল না। তবে ছেলেবেলা থেকে নিজের ইচ্ছায় তিনি পড়েছেন। এই সুপণ্ডিতের বাড়িতেই ছিল বিশাল গ্রন্থাগার। তার সৃজনশীলতার প্রাথমিক সাক্ষ্য হলো তাঁর সৃষ্টির বিপুলতা।

সাহিত্যের সব অঙ্গনেই ছিল তাঁর সফল পদচারণ। তিনি একাই তাঁর শিল্প সাধনা, কর্মোদ্যোগ ও চিন্তাধারা দ্বারা পশ্চাৎপদ একটি জাতিকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাতিগুলো সমকক্ষ করে গিয়েছেন।

ক. যিনি যথার্থ গুরু তিনি শিষ্যের আত্মাকে কী করেন?
খ. সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রে লাইব্রেরি অপরিহার্য কেন?

গ. উদ্দীপকের বর্ণনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মাঝে ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকটি ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের মূল বক্তব্যকে পুরোপুরি সমর্থন করে- উক্তিটি মূল্যায়ন করো।

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর
ক. যিনি যথার্থ গুরু তিনি শিষ্যের আত্মাকে উদ্বোধিত করেন।
খ. স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে বৃহৎ পরিসরে সাহিত্যচর্চা করার জন্য লাইব্রেরি অপরিহার্য।

বই পড়া ছাড়া সাহিত্যচর্চার উপায়ান্তর নেই। আর বই পড়ার জন্য সবচেয়ে আদর্শ স্থান হলো লাইব্রেরি। এখানে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর লেখা অনেক বইয়ের সংগ্রহ থাকে। পাঠক এখানে এসে নির্বিঘেœ তার রুচি অনুসারে বই পড়তে পারে। এ কারণেই সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রে লাইব্রেরির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গ. উদ্দীপকে বর্ণিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মাঝে ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে উল্লিখিত স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
‘বই পড়া’ প্রবন্ধে লেখক বই পড়ার উপযোগিতা ও পাঠকের মন-মানসিকতা নিয়ে আলোচনা করেছেন।

যথার্থ শিক্ষিত হতে হলে মনের প্রসারতার দরকার, যা স্বচ্ছন্দচিত্তে পাঠাভ্যাসের মাধ্যমেই কেবল সম্ভব। শিক্ষা হচ্ছে মূলত আনন্দের সঙ্গে কোনো বিষয় আয়ত্ত করা। অর্থাৎ শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে মন হতে হবে স্বতঃস্ফূর্ত। এ কারণে শিক্ষা কেউ কাউকে দিতে পারে না। নিজেকেই অর্জন করে নিতে হয়।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার ধরাবাঁধা নিয়মে বাঁধা পড়েননি। অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে তৈরি করা জোর করে চাপিয়ে দেওয়া শিক্ষা গ্রহণ করেননি। তিনি আনন্দের সঙ্গে পাঠাভ্যাসের মাধ্যমে যে শিক্ষা অর্জন করেছেন,

তা তাঁর সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের ক্ষেত্রে অসাধারণ ভূমিকা রেখেছে। একই সাথে তিনি হয়েছেন স্বশিক্ষিত ও সুশিক্ষিত। আলোচ্য প্রবন্ধে প্রকাশিত স্বশিক্ষিত হওয়ার সুফল আমরা দেখতে পাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মধ্যে।

ঘ. যথার্থ শিক্ষিত হওয়ার জন্য প্রয়োজন সৃজনশীল পাঠ্যাভ্যাস। ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের এটিই মূলসুর, যা উদ্দীপকেও স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে। ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে বই পড়ার গুরুত্ব ব্যক্ত করেছেন প্রমথ চৌধুরী।

মানুষের জীবনবোধ ও জীবনদর্শন, ধর্মনীতি, অনুরাগ-অভিমান, আশা, নৈরাশ্য ও স্বপ্ন-কল্পনার দোলাচল সব কিছুই সাহিত্যের বিষয়বস্তু হিসেবে বিবেচিত।

মানুষের অন্তরের সত্য সৌন্দর্য ও স্বপ্নের সমন্বয়ে সাহিত্যের জন্ম। ‘বই পড়া’ প্রবন্ধ অনুসারে মনোরাজ্যের দান গ্রহণসাপেক্ষ। তাই সাহিত্যচর্চাকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গ্রহণ করলেই যথার্থ শিক্ষিত হওয়া যায়।

উদ্দীপকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কীভাবে স্কুল-কলেজে না পড়ে সুশিক্ষিত ও স্বশিক্ষিত হলেন, তা তুলে ধরা হয়েছে। ছেলেবেলা থেকেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বহু বিচিত্র বিষয়ে বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করেছেন।

তাঁর সেই অর্জিত জ্ঞান থেকেই মানবকল্যাণে অসংখ্য কবিতা, গান, উপন্যাস, নাটক ইত্যাদি রেখে গেছেন। রবীন্দ্রনাথের প্রতিভা বিকাশ এবং তাঁর সুগঠনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে ঠাকুরবাড়ির বিশাল গ্রন্থাগার।

সেই গ্রন্থাগারের বহু বিচিত্র বই পড়ে যে জ্ঞান তিনি অর্জন করেছিলেন তা-ই পরে মানবকল্যাণে উৎসর্গ করে গেছেন। প্রকৃত শিক্ষিত হওয়ার মূল উপায় ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে যেভাবে এসেছে সেটি উদ্দীপকেও প্রকাশ্য।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেবল নির্বাচিত কিছু বই পড়তে দেওয়া হয়। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অর্জিত শিক্ষা পূর্ণাঙ্গ নয়। আর এ কারণেই আমাদের প্রয়োজন ব্যাপকভাবে বই পড়া। তাহলেই আমরা প্রকৃত জ্ঞান অর্জনে সক্ষম হব।

দেশ ও জাতির জন্য মহৎ কাজ করতে পারব। যেমনটা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বাঙালি ও বাংলাভাষাকে তিনি বিশ্ব আসরে মর্যাদার আসন দান করেছেন আপন সৃষ্টির মাধ্যমে।

প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছিলেন বলেই তিনি এত সমৃদ্ধ জ্ঞানের ভাণ্ডার আমাদের জন্য রেখে যেতে পেরেছেন। শিক্ষাকে তিনি অর্থ উপার্জনের উপায় হিসেবে দেখেননি। বরং জ্ঞানার্জনের মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করেছেন। ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের মূলকথাও এটি। তাই আলোচ্য বক্তব্যটি যথার্থ।

ANSWER SHEET

যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে এখানে ক্লিক করুন এবং আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন ফেইজবুক পেইজে এখানে ক্লিক করে।

এগুলো দেখুন

SSC ফ্রি PDF ব্যবসায় উদ্যোগ: MCQ উত্তরসহ

SSC ফ্রি PDF ব্যবসায় উদ্যোগ: MCQ উত্তরসহ

SSC ফ্রি PDF ব্যবসায় উদ্যোগ: MCQ উত্তরসহ বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ১. রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় যে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *