SSC:স্বাধীন বাংলাদেশের জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক (ফ্রি পিডিএফ)

SSC:স্বাধীন বাংলাদেশের জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক (ফ্রি পিডিএফ)
জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন ॥ ১ ॥ মুক্তিযুদ্ধের মূল নিয়ামক শক্তি ছিল কারা?
উত্তর : মুক্তিযুদ্ধের মূল নিয়ামক শক্তি ছিল জনগণ।

প্রশ্ন ॥ ২ ॥ মুক্তিযুদ্ধে কোন অনুষ্ঠানদ্বয় জনপ্রিয় ছিল?
উত্তর : ‘চরমপত্র’ ও ‘জল¬াদের দরবার’ অনুষ্ঠানদ্বয় মুক্তিযুদ্ধের সময় জনপ্রিয় ছিল।

প্রশ্ন ॥ ৩ ॥ বঙ্গবন্ধু কখন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন?
উত্তর : ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

প্রশ্ন ॥ ৪ ॥ মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
উত্তর : মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।

প্রশ্ন ॥ ৫ ॥ মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
উত্তর : মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

প্রশ্ন ॥ ৬ ॥ মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রী কে ছিলেন?
উত্তর : খন্দকার মোশতাক আহমেদ মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রী ছিলেন।

প্রশ্ন ॥ ৭ ॥ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দল কোনটি?
উত্তর : বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

প্রশ্ন ॥ ৮ ॥ মুক্তিবাহিনীতে একক গোষ্ঠী হিসেবে কাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ছিল?
উত্তর : মুক্তিবাহিনীতে একক গোষ্ঠী হিসেবে ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ছিল।

প্রশ্ন ॥ ৯ ॥ সাধারণ অর্থে পেশাজীবী কারা?
উত্তর : সাধারণ অর্থে পেশাজীবী বিভিন্ন পেশায় যারা নিয়োজিত।

প্রশ্ন ॥ ১০ ॥ কারা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু করেন?
উত্তর : চট্টগ্রাম বেতারের শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু করেন।

প্রশ্ন ॥ ১১ ॥ কারা মুক্তিযোদ্ধাদের খাবার ও ওষুধ সরবরাহ করেছে?
উত্তর : সাধারণ মানুষ মুক্তিযোদ্ধাদের খাবার ও ওষুধ সরবরাহ করেছে।

প্রশ্ন ॥ ১২ ॥ মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?
উত্তর : মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন এম মনসুর আলী।

প্রশ্ন ॥ ১৩ ॥ ভারত কখন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে?
উত্তর : ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

প্রশ্ন ॥ ১৪ ॥ বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে ভারতের পর সর্বাধিক অবদান রাখে কোন দেশ?
উত্তর : বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে ভারতের পর সর্বাধিক অবদান রাখে রাশিয়া।

প্রশ্ন ॥ ১৫ ॥ বাংলাদেশ কত সালে ব্রিটিশ কমনওয়েলথের সদস্য হয়?
উত্তর : ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ব্রিটিশ কমনওয়েলথের সদস্য হয়।

প্রশ্ন ॥ ১৬ ॥ বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করে কবে?
উত্তর : ১৯৭৪ সালে ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করে ।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন ॥ ১ ॥ ৭ মার্চের ভাষণের তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। এই ভাষণের গুরুত্ব অপরিসীম।

৭ মার্চের ভাষণ থেকে বাঙালি ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রেরণা ও মুক্তিযুদ্ধের নির্দেশনা পায়। এ ভাষণের পরেই বাঙালি জাতির সামনে একটি গন্তব্য নির্ধারণ হয়ে যায়, তা হলো ‘স্বাধীনতা’।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আক্রমণ চালায় এবং নৃশংস গণহত্যা শুরু করে। বাঙালিরা আক্রমণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় এবং বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের স্বাধীনতার ডাকে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

প্রশ্ন ॥ ২ ॥ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে নারীরা কীভাবে সাহায্য করেছিল তা ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : মুক্তিযুদ্ধে নারীদের ভূমিকা ছিল গৌরবোজ্জ্বল। ১৯৭১ সালের মার্চের প্রথম থেকেই দেশের প্রতিটি অঞ্চলে যে সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়, তাতে নারীদের বিশেষ করে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ছিল স্বতঃস্ফূর্ত।

মুক্তিযোদ্ধা শিবিরে পুরুষের পাশাপাশি নারীরা অস্ত্রচালনা ও গেরিলা যুদ্ধের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়। অপরদিকে সহযোদ্ধা হিসেবে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা-শুশ্রƒষা, মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়দান ও তথ্য সরবরাহ করে যুদ্ধে

গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এদেশের অগণিত নারী মুক্তিসেনা।
পাকসেনা বাহিনী কর্তৃক ধর্ষিত হয় প্রায় তিন লক্ষ নারী। তারাও মুক্তিযোদ্ধাদের সহযাত্রী।

প্রশ্ন ॥ ৩ ॥ স্বাধীনতা ঘোষণার বাংলা অনুবাদটি লেখ।
উত্তর : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণটি ছিল ইংরেজিতে, যাতে বিশ্ববাসী ঘোষণাটি বুঝতে পারেন। স্বাধীনতা ঘোষণার বাংলা অনুবাদ : “ইহাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ হইতে, বাংলাদেশ স্বাধীন।

আমি বাংলাদেশের জনগণকে আহ্বান জানাইতেছি যে, যে যেখানে আছে, যাহার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে রুখে দাঁড়াও, সর্বশক্তি দিয়ে হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ কর। পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর শেষ সৈন্যটিকে বাংলার মাটি হইতে বিতাড়িত না করা পর্যন্ত এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জন না করা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাও” (বাংলাদেশ গেজেট, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী, ৩ জুলাই, ২০১১)।

প্রশ্ন ॥ ৪ ॥ মুজিবনগর সরকারের নামকরণের তাৎপর্য কী?
উত্তর : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামের সাথে সঙ্গতি রেখে মুজিবনগর সরকার নামকরণ করা হয়। বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে গ্রেফতারের পূর্বমুহূর্তে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

দেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার পর স্বাধীন দেশে সরকার গঠন আবশ্যক হয়ে পড়ে। ফলে তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতারা ১০ই এপ্রিল ১৯৭১ স্বাধীন বাংলা সরকার গঠন এবং ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণের মাধ্যমে সরকার গঠনের পূর্ণতা পায়।

শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা দিয়ে সরকার গঠন করেন। মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে শপথ অনুষ্ঠানের পর থেকেই এ সরকারকে মুজিবনগর সরকার হিসেবে গণ্য করা হয়।

প্রশ্ন ॥ ৫ ॥ মুক্তিযোদ্ধাদের ঋণ কোনোদিন শোধ হবে না কেন?
উত্তর : ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ নিরস্ত্র জনগণের ওপর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আক্রমণ চালালে বাঙালি ছাত্র, জনতা, পুলিশ, ইপিআর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস) সাহসিকতার সাথে তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়।

দেশের জন্য যুদ্ধ করতে গিয়ে বহু মুক্তিযোদ্ধা বিভিন্ন রণাঙ্গনে শহিদ হন। আবার অনেকে গুলিতে মারাত্মকভাবে আহত হন। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের এ ঋণ কোনোদিন শোধ হবে না।

প্রশ্ন ॥ ৬ ॥ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে রাজনৈতিক দলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণÑ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : ২৫ মার্চের পর রাজনৈতিক নেতৃত্ব সংগঠিত হয়ে সরকার গঠন, মুক্তিবাহিনী গঠন, বিদেশে জনমত সৃষ্টি ও সমর্থন আদায়, যুদ্ধের অস্ত্রশস্ত্র সংগ্রহ এবং জনগণের মনোবল অটুট রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

রাজনৈতিক নেতৃত্ব মুক্তিযুদ্ধকে সফল করার ক্ষেত্রে সকল শক্তি, মেধা ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতার পরিচয় দিতে সক্ষম হয়। মুক্তিযোদ্ধা ও গেরিলা যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র পরিচালনা এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্বজনমত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সরকার ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব।

প্রশ্ন ॥ ৭ ॥ জাতি কেন মুক্তিযোদ্ধাদের সূর্যসন্তান হিসেবে মনে রাখবে?
উত্তর : বাঙালি জাতি চিরকাল ১৯৭১ সালের মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করবে।
মুক্তিযোদ্ধারা দেশকে শত্রুমুক্ত করতে নিজের মৃত্যুকে তুচ্ছজ্ঞান করে যুদ্ধে যোগদান করেছিল।

প্রায় ৩০ লক্ষ শহিদের তাজা রক্ত ও ৩ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আজকের স্বাধীনতা। জাতি হিসেবে আমরা তাই মুক্তিযোদ্ধাদের মনে করি শ্রেষ্ঠ সন্তান। এজন্য বাঙালি জাতি যতদিন পৃথিবীতে থাকবে মুক্তিযোদ্ধাদের তারা সূর্যসন্তান হিসেবে মনে করবে।

প্রশ্ন ॥ ৮ ॥ ‘আমাদের মুক্তিযুদ্ধ একটি রাজনৈতিক যুদ্ধ’।Ñ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : আমাদের মুক্তিযুদ্ধে রাজনৈতিক নেতৃত্বই যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করেছিল তাই একে বলা হয় রাজনৈতিক যুদ্ধ।
ঐতিহাসিক বিভিন্ন ঘটনার ধারাবাহিকতায় ১৯৭০ সালে নির্বাচনে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়।

সরকার গঠনের কথা থাকলেও পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী সে সুযোগ থেকে বঞ্চিত করেছিল। তাই রাজনৈতিকভাবে ৭ মার্চের ভাষণের পর এবং স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে দেশ স্বাধীনতার দিকে ধাবিত হয়। মুজিবনগর সরকার শেষ পর্যন্ত অবদান রাখায় এ যুদ্ধকে রাজনৈতিক যুদ্ধ বলা হয়েছে।

প্রশ্ন ॥ ৯ ॥ ‘এই সংবিধান শহিদদের রক্তে লিখিত।’Ñব্যাখ্যা কর।
উত্তর : ১৯৭২ সালে প্রস্তুতকৃত সংবিধানের ওপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু এ উক্তিটি করেছিলেন।
মূলত ১৯৭১ সালে ৩০ লক্ষ শহিদের রক্তের বিনিময়ে এদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে।

এর সঙ্গে ছিল অগণিত মা-বোনের সম্ভ্রমের বলিদান, নাম না জানা মানুষের ত্যাগের মহিমা। ১৯৭২ সালে সংবিধান গণপরিষদে পাশ হওয়ার প্রাক্কালে বঙ্গবন্ধু শ্রদ্ধাভরে শহিদদের স্মরণ করেন এবং বলেন যে আজ আমরা যে সংবিধান পেলাম তা মূলত ’৭১-র শহিদদের রক্তের বিনিময়ের কারণে।

প্রশ্ন ॥ ১০ ॥ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে প্রবাসী বাঙালিদের অবদান আলোচনা কর।
উত্তর : প্রবাসী বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে নানাভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করেন। বিভিন্ন দেশে তারা মুক্তিযুদ্ধের জন্য অর্থ সংগ্রহ করেছেন।

বাংলাদেশের পক্ষে সমর্থন আদায়ে পার্লামেন্ট সদস্যদের নিকট ছুটে গিয়েছেন, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় প্রতিনিধি দল প্রেরণ করেছেন, পাকিস্তানকে অস্ত্র গোলাবারুদ সরবরাহ না করতে সরকারের নিকট আবেদন করেছেন। এক্ষেত্রে ব্রিটেনের প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা বিশেষভাবে উলে¬খ্য। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে তারা নিরলস কাজ করেছেন।

প্রশ্ন ॥ ১১ ॥ ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক।’ Ñ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে সেনাশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সময়ের একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তৈরি করেছিল উক্ত স্লোগান।

এরশাদ বিরোধী আন্দোলন সারাদেশে যখন তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে এমনি সময়ে ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর নূর হোসেন নামক এক ব্যক্তি বুকে ও পিঠে “স্বৈরাচার নিপাত যাক; গণতন্ত্র মুক্তি পাক।” স্লোগান লিখে মিছিলে অংশগ্রহণ করলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।

পরবর্তীতে নূর হোসেনের এ আত্মত্যাগ আন্দোলনকে আরও বেগবান করে এবং জনগণ গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে আন্দোলন করে। ১৯৯০ সালে ৬ ডিসেম্বর এরশাদের ক্ষমতা ত্যাগের মাধ্যমে জাতি গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে পায়।

ANSWER SHEET

যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে এখানে ক্লিক করুন এবং আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন ফেইজবুক পেইজে এখানে ক্লিক করে।

এগুলো দেখুন

SSC ফ্রি PDF ব্যবসায় উদ্যোগ: MCQ উত্তরসহ

SSC ফ্রি PDF ব্যবসায় উদ্যোগ: MCQ উত্তরসহ

SSC ফ্রি PDF ব্যবসায় উদ্যোগ: MCQ উত্তরসহ বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ১. রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় যে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *